সপ্তাহের ব্যবধানে নওগাঁয় বেড়েছে চালের দাম

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
নওগাঁ প্রতিনিধি:
নওগাঁয় বেড়েছে চালের দাম। ১০ দিনের ব্যবধানে কৃষিপণ্যটির দাম কেজিতে ৪-৫ টাকা বেড়েছে। পাইকারি বাজারে চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় চালের দাম বেড়েছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
নওগাঁ পৌর খুচরা বাজারের অখিল খাদ্যভাণ্ডারের মালিক অখিল চন্দ্র বলেন, ১০ দিনের ব্যবধানে প্রকারভেদে প্রতি কেজি চালের দাম ৪-৫ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে জিরাশাইল প্রতি কেজি ৫০-৫২ টাকা, কাটারিভোগ ৫৫ ও খাটোদশ ৪৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ৫০ কেজি ওজনের প্রতি বস্তার দাম বেড়েছে ১০০-১৫০ টাকা।
তিনি বলেন, ধানের ভরা মৌসুমেও চালের দাম বেড়েছে। বিগত বছরগুলোতে কখনই এমন হয়নি। ব্যবসায়ীদের বেশি দামে ধান কিনে চাল উৎপাদন করতে খরচও বেশি পড়ছে। এ কারণেই মূলত বাজারে চালের দাম বাড়তি।
জেলার মহাবেদপুর উপজেলার চকগৌরী, সরস্বতীপুর ও মহিষবাথান হাট ঘুরে জানা যায়, বর্তমানে হাইব্রিড ধান ৯০০-৯২০ টাকা, জিরাশাইল ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৭০, কাটারিভোগ ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ১২০ ও মোয়াজ্জেম ৯৪০-৯৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১০-১৫ দিনের ব্যবধানে প্রকারভেদে প্রতি মণ ধানের দাম ৭০-১৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
জেলার মান্দা উপজেলার মহানগর গ্রামের কৃষক রুবেল হোসেন বলেন, বোরো মৌসুমে ২২ বিঘা জমিতে আবাদ করেছিলাম। এক বিঘাতে ৫৬ ও এক বিঘাতে ৫৭ জাতের ধানের চাষ করি, বাকিগুলোতে জিরাশাইল। বিঘাপ্রতি ফলন হয়েছে প্রায় ২৫ মণ। ১৫ দিন আগে ১ হাজার ২০ টাকা মণ দরে প্রায় ২৫০ মণ জিরাশাইল ধান বিক্রি করেছি। বর্তমানে বাজারে দাম প্রতি মণে প্রায় ১০০ টাকা বেড়েছে।
নওগাঁ জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদার বলেন, বাজারে চালের দাম বাড়ার একমাত্র কারণ হলো ধানের দরবৃদ্ধি। বিগত বছরগুলোতে কৃষকরা ধান ঘরে ওঠানোর আগেই কাটা ও মাড়াই করে হাটে বিক্রি করতেন। কিন্তু এ বছর সামান্য পরিমাণ ধান হাটে বিক্রি করে বাকিটা ঘরে মজুদ করে রেখেছেন। বাজারে ধান সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে।
বাংলার কথা/সাজ্জাদুল তুহিন/৬জুলাই/২০২১

এই রকম আরও খবর

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn