আজ- রবিবার, ৭ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৩শে রজব, ১৪৪২ হিজরি
বাংলার কথা
Header Banner

রাজশাহীর দুটিতে আ’লীগ, অপরটিতে বিদ্রোহীর জয়

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

নিজস্ব প্রতিবেদক ০

রাজশাহীর তিনটি পৌরসভার মধ্যে দু’টিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। আরেকটিতে জয় পেয়েছেন একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থী। ভোট গণনা শেষে শনিবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তারা বেসরকারিভাবে তাদের বিজয়ী ঘোষণা করেন।

 

 

এর মধ্যে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাটে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত এ. কে. এম আতাউর রহমান খান নৌকা প্রতিকে ৫ হাজার ৫৮২ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মোঃ হাফিজুর রহমান হাফিজ ধানের শীষ প্রতিকে পেয়েছেন ৫ হাজার ১১৩ ভোট। ৪৬৯ ভোটের ব্যবধানে নৌকার প্রার্থী বিজয়ী হন এখানে।

 

বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আব্দুল মালেক মন্ডল ৭ হাজার ৩৯৯ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি একই দলে বিদ্রোহী প্রার্থী এস এম মামুনুর রশীদ পেয়েছেন ২ হাজার ৬৯৯ ভোট এবং বিএনপির আব্দুর রাজ্জাক প্রামাণিক পেয়েছেন এক হাজার ৯৬ ভোট। তবে এই পৌরসভায় নিজের ভোট দিতে বাধা এবং কোন কেন্দ্রে এজেন্ট ঢুকতে না দেয়ার অভিযোগ এনে সকাল সাড়ে ১০টায় বিএনপি প্রার্থী সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।

 

বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মোঃ মুক্তার আলী নারিকেল গাছ মার্কায় ৫ হাজার ৯০৪ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগ লীগ মনোনীত প্রার্থী মোঃ শহীদুজ্জামান শাহীদ নৌকা প্রতিকে ভোট পেয়েছেন ৪ হাজার ৩০০। এখানে ১ হাজার ২৭৬ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোঃ তোজাম্মেল হক। এই পৌরসভার জয়গুন নেসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন স্থানীয় সাংসদ ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ শাহরিয়ার আলম।

 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যে কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন, সেখানে নৌকা পেয়েছে মাত্র ৭৭ ভোট। এই কেন্দ্রে নৌকার চেয়ে ধানের শীষ ১৮ ভোট বেশি পেয়েছে। পক্ষান্তরে দলের বিদ্রোহী মুক্তার আলীর নারিকেল গাছ প্রতীক পেয়েছে ১ হাজার ১৯৫ ভোট।

 

তিন পৌরসভার মধ্যে বাগমারার ভবানীগঞ্জ পৌরসভায় ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। আর কাকনহাট ও আড়ানী পৌরসভায় এই প্রথম ইভিএমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

বাংলার কথা/জানুয়ারি ১৬, ২০২১

এই রকম আরও খবর

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn