যেসব খাবারে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে

বাংলার কথা ডেস্ক ০

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বড়দের পাশাপাশি শিশুদেরও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো দরকার।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর অন্যতম উপায়ই হলো- সুষম খাবার খাওয়া। প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুদের স্বাস্থ্যকর এবং ফিট থাকার জন্য একটি ভালো ডায়েটেরও প্রয়োজন। এমন কিছু খাবার রয়েছে, যা শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

প্রত্যেক বাবা-মায়েরই উচিত তাদের শিশুদের বেশি করে ফল এবং শাকসবজি খাওয়ানো, যা ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার।

আসুন জেনে নিই শিশুদের খাবার তালিকায় যেসব খাবার রাখা প্রয়োজন:

মাতৃদুগ্ধ

খুব ছোট শিশুদের প্রয়োজনীয় উপাদানই হলো মাতৃদুগ্ধ। মায়ের স্তন্যপান হতেই তারা প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেয়ে থাকে। তাছাড়াও সিদ্ধ শাক-সবজি, এমনকি মাছও খাওয়াতে পারেন।

হলুদ

হলুদে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। রাতে ঘুমানোর পূর্বে শিশুদের দুধের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে খাওয়ান। সকালে হাফ চা চামচ মধুর সঙ্গে অল্প পরিমাণ কাঁচাহলুদের টুকরোও খাওয়াতে পারেন।

দই

দই গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল অসুস্থতা প্রতিরোধে বিশেষ সহায়ক। দই প্রোবায়োটিক পূর্ণ, যা দেহের খারাপ ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধ্বংস করে দেয়। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন খাবারের পর দই খাওয়ান।

ডিম

ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেলস এবং প্রোটিন, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। শিশুর সকালের নাস্তায় প্রতিদিন সিদ্ধ ডিম রাখতে পারেন।

সবুজ শাক-সবজি

শিশুরা অনেক সময় সবুজ শাক-সবজি খেতে চান না। শিশুর ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রাখুন নানা শাক-সবজি।

স্যালমন মাছ

স্যালমন মাছ শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খুবই কার্যকর একটি মাছ। স্যালমন ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা মস্তিষ্কের বিকাশ এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে থাকে।

শিশুকে ফলমূল খাওয়ান

সুস্থ ও ফিট থাকতে প্রতিদিন ফল খাওয়া দরকার। তাই নিজে ফল খাওয়ার পাশাপাশি আপনার শিশুকেও আপেল, কমলালেবু, তরমুজ, আঙুর, ডালিমসহ নানা ধরনের ফল খাওয়াতে পারেন।

 করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে :

* কারও যদি হার্ট-লাঞ্চ-কিডনি-লিভারের ক্রনিক অসুখ না থাকে, বা কোনো অসুখ বা ওষুধের কারণে শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে না গিয়ে থাকে বা বয়স খুব বেশি না হয়, তাহলে ভয়ের কিছুই নেই।

*রোগের উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর অন্ততপক্ষে ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করা যেতে পারে। তারপর যদি দেখা যায় উপসর্গ কমার বদলে আরও বাড়ছে, প্রবল জ্বর উঠছে বা শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, রক্তচাপ কমে গিয়ে মাথা ঘুরছে, প্রলাপ বকতে শুরু করেছেন, তাহলে তা বিপদের লক্ষণ।

* করোনা হতে বাঁচতে ঘন ঘন হাত ধুতে হবে। সাবান বা লিকুইড দিয়ে হাত ধুতে হবে।

* বাইরে থেকে এসে হাত না ধুয়ে মুখে চোখে বা নাকে হাত দেবেন না।

* সম্ভব হবে বাইরে থেকে এসে গোসল করে ফেলুন।

* জরুরি প্রয়োজনে বাইরে গেলে মাস্ক ও হ্যান্ড গালভস্ ব্যবহার করুন।

* যতোটা সম্ভব ঘরেই থাকার চেষ্টা করুন।

সূত্র:বোল্ডস্কাই।

বাংলার কথা/অক্টোবর ১১, ২০২০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Follow by Email
%d bloggers like this: