মোহনপুরে লোকসানের মুখে পটল ও কাঁচা মরিচ চাষীরা

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

মোহনপুর ( রাজশাহী)  প্রতিনিধি  : 

রাজশাহীর মোহনপুরে গত কয়েক দিনের বৃষ্টি ও চলমান লকডাউনের কারণে কাঁচা মরিচ ও পটলের বাজারে ধস নেমেছে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১৫ থেকে ১৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে।  আর পটল ১২ থেকে ১৪ টাকা কেজি দরে বিক্রয় হচ্ছে। এদিকে দাম না পেয়ে চরম লোকসানের মুখে পড়ছে মরিচ ও পটল চাষিরা। উপজেলার বিদিরপুর ও কেশরহাটে ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়।

আজ (০৭ জুলাই) বুধবার সরেজমিনে বিদিরপুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে, হাটে বস্তায় বস্তায় কাঁচা মরিচ ও পটল নিয়ে বসে আছেন চাষিরা। কিন্তু ক্রেতার দেখা মিলছে না। ক্রেতা মিললেও দাম বলছে কম। ফলে প্রতি মণ কাঁচা মরিচ ৬০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা এবং পটল ৫০০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি করছেন চাষিরা।
বিদিরপুর হাটে মরিচ বিক্রি করতে আসা জালাল উদ্দীন খান নামের এক চাষি বলেন, গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে জমিতে পানি উঠেছে। তাই গাছগুলো অল্পদিনেই মরে যাবে। এখন মরিচ না তুলতে সেগুলো জমিতেই পচে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে তুলতে হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি বাজারেও দাম নেই। এই দামে বিক্রি করলে যে খরচ হয়েছে সেটি উঠবে না।

আয়নাল হক নামে আরেক চাষি বলেন, একদিকে লকডাউন অন্যদিকে বৃষ্টি। এতে পটল তুলতে না পেরে পেকে জমিতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই কম দামে বিক্রি করছি। লাভ তো দূরের কথা, পটল চাষে যে টাকা খরচ হয়েছে তাই উঠবে না।

উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের মরিচ চাষি মাহাবুব আলম বলেন, মানুষ বাজারে আসতে পারছে না। তাই মরিচের এ অবস্থা। তবে উঁচু জমির মরিচ চাষিরা এখন দাম না পেলেও পরে ভালো দাম পাবে। আর আমাদের জমি থেকে মরিচ তোলা ও বাজারে নিয়ে আসার খরচ এবং খাজনা দিয়ে কিছুই থাকছে না। তবে অন্যান্য সবজির দাম তুলনামূলক ভাল ছিল।

মোহনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রহিমা খাতুনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ধরেননি।

বাংলার কথা/এম এম মামুন/৭জুলাই/২০২১

এই রকম আরও খবর

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn