আজ- রবিবার, ৭ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৩শে রজব, ১৪৪২ হিজরি
বাংলার কথা
Header Banner

মুন্ডুমালা পৌর নির্বাচনী মাঠে নেই রাব্বানী-মামুন

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি o

মুন্ডুমালা পৌরসভা নির্বাচনে মাঠে নেই তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

 

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচিসহ জাতীয় ও স্থানীয় কোনো কর্মসূচিতেও দেখা মিলে না এই দুই নেতার।

 

এমন অভিযোগ করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, এই দুই  নেতা দলীয় পদপদবি ব্যবহার করে ঢাকাসহ রাজশাহীতে অবস্থান করে দলীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন। পাশাপাশি তাদের একজন ব্যস্ত নতুন নতুন গাড়ি ও বাড়ি বদলাতে। আর একজন ব্যস্ত নিজের পোষাক বদলাতে। তানোর উপজেলায় কোনো দলীয় সভা-সমাবেশসহ রাজনৈতিক কর্মকান্ড থেকে তারা দূরে থাকলেও থেমে নেই এই দুই নেতার এমপি বিরোধী কর্মকান্ড।

 

এই দুই নেতা মাঝে মাঝে এলাকায় বসন্তের কোকিলের মতো এসে এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর সমালোচনা করে আবার চলে যান কেউ ঢাকায়, কেউ রাজশাহীতে।  তানোর উপজেলার রাজনৈতিক মাঠে যেমন নেই তাদের কোনো কর্মকান্ড, তেমনিভাবে পৌর নির্বাচনী মাঠে নৌকার পক্ষে নেই তাদের কোন ভূমিকা।

 

এবিষয়ে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি শরিফ খান বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে এদেশ স্বাধীনতা হয়েছে। তাই এই দল ও দলের পদপদবিধারী নেতাদের দায়বদ্ধতাও অনেক বেশি। কিন্তু যারা দলের পদপদবি ব্যবহার করবে, অথচ জাতীয় ও স্থানীয়ভাবে দলের কোন কর্মসূচি পালন করেন না, তাদের এই দলের সভাপতি ও সম্পাদক হওয়াতো দূরের কথা সদস্যপদে থাকারও কোনো যোগ্যতা থাকে না।

 

তিনি বলেন, তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, ২৬ মার্চ স্বাধীতনা দিবসসহ ২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের কর্মসূচিতেও তাদের দেখা মিলে না। এমনকি জাতীয় শোক দিবসসহ যতো দিবস আছে, তার কোনোটার কোনো কর্মসূচি পালন করা তো দূরের কথা, তাদেরকে দেখাই যায় না। অথচ তারা দলের শীর্ষ পদপদবি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে রাজশাহীসহ ঢাকায় বসে বিরোধী দলের নেতাদের সাথে হাত মিলিয়ে এমপির বিরোধীতা করছেন।

 

তিনি আরো বলেন, তারা নিজেরা দলের জন্য কিছুই করেনি, করতেও পারবে না। আবার দলীয় পদপদবিও ছাড়ছেন না।

 

তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাব্বানী নৌকা ফুটো করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছিলেন। সেই ক্ষোভে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও নৌকা ফুটো করতে রাব্বানী তার নিজের ছোট ভাই শরিফুলকে হাতুড় প্রতিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে গেছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ পদে থাকা গোলাম রাব্বানী এবার পৌর নির্বাচনে নৌকা ফুটো করতে তার ঘনিষ্ট সহচর সাইদুর রহমানকে জগ প্রতিকে ভোটে দাঁড় করিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীকে জেতানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি শরিফ খান।

 

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,  রাব্বানী ও মামুন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদকের পদ তো দূরের কথা, দলের সদস্য হওয়ারও যোগ্যতা হারিয়েছেন।

 

এবিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

তবে, এবিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, বিষয়গুলো কেন্দ্রীয় কমিটিতে উপস্থাপন করা হবে।

 

তিনি বলেন,  নৌকার সাথে বেঈমানি করা মানে দলের সাথে বেঈমানি করা, স্বাধীনতা ও  বাংলাদেশের সাথে বেঈমানি করা, প্রধানমন্ত্রীর সাথে বেঈমানি করা। এসব বেঈমানদের আগামীতে আওয়ামী লীগে স্থান হবে না।

 

বাংলার কথা/সাইদ সাজু/জানুয়ারি ২২, ২০২১

এই রকম আরও খবর

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn