আজ- মঙ্গলবার, ২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৮ই রজব, ১৪৪২ হিজরি
বাংলার কথা
Header Banner

‘বাদশার পরামর্শে মার্কেট করার সিদ্ধান্ত’

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

নিজস্ব প্রতিবেদক ০
রাজশাহী নগরীর সোনাদীঘির ইঞ্জিনিয়ারিং ও সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিত্যক্ত ভবনের জায়গায় প্রথমে শহীদ নির্মাণ করতে চেয়েছিল জেলা পরিষদ। এমন দাবি করে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার বলেছেন, পরবর্তীতে জেলা পরিষদের সভায় অংশ নিয়ে রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা সেখানে বহুতল মার্কেট করার পরামর্শ দেন। তার পরামর্শে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন সেই জায়গায় মার্কেট নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়।

 

বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার এই দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য আবুল ফজল প্রাং, মোঃ গোলাম মোস্তফা, মোঃ আসাদুজ্জামান মাসুদ, রাবিয়া খাতুন, কৃষ্ণা দেবী, জয় জয়ন্তী সরকার মালতি, নারগীস বিবি ও শিউলী রাণী সাহা।

 

রাজশাহী নগরীর প্রাণকেন্দ্র সোনাদীঘি পাড়ে সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের উদ্যোগে ১৬ ডিসেম্বর বুধবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ভাষাসৈনিক অ্যাডভোকেট গোলাম আরিফ টিপু। মেয়রের এই উদ্যোগের সাথে ছিলেন সদর আসনের সংসদ ফজলে হোসেন বাদশা। শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিত্যক্ত ভবনের জায়গায় জনগণের দাবি অনুযায়ি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ করা হচ্ছে। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকারকে ইঙ্গিত করে ফজলে হোসেন বাদশা বলেছিলেন, যারা শহীদ মিনারের পরিবর্তে এখানে মার্কেট নির্মাণ করতে চায়, তারা আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী।

 

তবে বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ আলী সরকার দাবি করেন, ফজলে হোসেন বাদশার পরামর্শেই তারা সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিত্যক্ত ভবনের জায়গায় মার্কেট করতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি জেলা পরিষদের মাসিক সভায় সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিত্যক্ত জায়গায় প্রথমে মার্কেট নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত হয়। তবে ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারির মাসিক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মার্কেটের পরিবর্তে সেখানে শহীদ মিনারের সিদ্ধান্ত নেয় জেলা পরিষদ। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বরের মাসিক সভায় উপস্থিত থেকে রাজশাহীবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে তারা সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে ১৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদের বিশেষ সভায় উপস্থিত থেকে রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিত্যক্ত স্থানে বহুতল মার্কেট নির্মাণের পরামর্শ দেন। তার পরামর্শে সর্বসম্মতিক্রমে সেখানে শহীদ মিনারের পরিবর্তে বহুতল মার্কেটের সিদ্দান্ত নেয়া হয়। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং স্থানীয় জনগণের দাবির প্রেক্ষিতে গত ১৫ ডিসেম্বর জেলা পরিষদের বিশেষ সভায় মার্কেটের পরিবর্তে সেখানে শহীদ মিনার নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

 

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার বলেন, সোনাদীঘি পাড়ের সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিত্যক্ত স্থানের মালিক জেলা পরিষদ। সেখানে জেলা পরিষদের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও অর্থায়নে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হবে। এক্ষেত্রে প্রশাসনিক অনুমোদন এবং শহীদ মিনার নির্মাণের লক্ষে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় যে সিদ্ধান্ত দেবে, জেলা পরিষদ তা মেনে নেবে।

বাংলার কথা/ডিসেম্বর ১৭, ২০২০

 

এই রকম আরও খবর

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn