আজ- সোমবার, ৮ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৪শে রজব, ১৪৪২ হিজরি
বাংলার কথা
Header Banner

বাঘায় ভেস্তে যাচ্ছে উন্নয়ন কাজ, এক মাসের মধ্যে ফাটল !

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঘা (রাজশাহী) o

রাজশাহীর বাঘায় এক মাসের ব্যবধানে ৭০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণকৃত একটি রাস্তার কাজ ভেঙ্গে যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি ভাইরাল হয়েছে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দাবি করেছেন দিনে কার্পেটিং কাজ শেষ করার পর রাতে ওই রাস্তায় যানবাহন চলার কারণে কার্পেটিং ফেটে গেছে।

 

উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৬৮ লাখ ৩৩ হাজার টাকা ব্যায় ধরে উপজেলার চন্ডিপুর-জোতরাঘব সড়কের ২ কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণের কাজ পান নাটোরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএন ট্রেডের স্বত্বাধিকারি তহিদুল ইসলাম। পরে স্থানীয় ঠিকাদার আবুল বাশার ক্রয় সূত্রে ঐ কাজটি সম্পন্ন করেন।

 

এতে বিটুমিন কাজ শেষ করার পরপরই বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন দেখা দেয়। ফলে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। গত বছরের নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে রাস্তার কাজ শুরু করা হয়। এরপর কাজটি শেষ করা হয় চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি।

 

স্থানীয় লোকজন জানান, রাস্তাটি নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে। নিম্নমানের ইট, সুরকি ব্যবহার করা হয়েছে। রাস্তায় পিচ ঢালাইয়ের আগে ঠিকমতো পরিষ্কার করা হয়নি। খড় ও ময়লার ওপর অল্প পরিমাণে বিটুমিন দিয়ে কার্পেটিংয়ের কাজ শেষ করা হয়েছে। এ কারণে কাজ শেষ হতে-না হতেই জায়গা জায়গাই কার্পেটিং ভেঙে যাচ্ছে।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন স্কুল শিক্ষক জানান, সরকারি কাজের পাশে যে সরকারি কর্মকর্তা থাকেন না সেটি এ কাজের বেলায় দেখেছি। মাঝে মধ্যে থাকলেও তাদের ভূমিকা একে বারেই নিরব।

 

তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আবুল বাশার দাবি করেন, রাস্তাটি নির্মাণে কোনো নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়নি। এ রাস্তা দিয়েই গ্রামের মানুষ কিংবা যানবাহনও চলাচল করবে। তাই যতদূর সম্ভব ভালো কাজ করার চেষ্টা করেছেন। তার দাবি, দিনে কার্পেটিংয়ের কাজ শেষ করার পর রাতে ওই রাস্তায় যানবাহন চলাচল করেছে। যার কারণে কার্পেটিং ফেটে গেছে। পরে সেটি ঠিক করে দিয়েছেন।

 

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী রতন কুমার ফৌজদার দাবি করেন, এই কাজের বিষয়ে তার কাছে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। তবে কাজ শেষ করার পর পরই ভারি যানবাহন চলাচল করার কারণে বিটুমিন ফেটে গিয়েছিল। পরে সেটি ঠিক করে দেয়া হয়েছে।

 

বাংলার কথা/নুরুজ্জামান/জানুয়ারি ১৯, ২০২১

এই রকম আরও খবর

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn