বাগমারায় প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ ১০ জন আহত

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

বাগমারা (রাজশাহী) নিজস্ব প্রতিবেদক :

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে মাসুদ রানা (২৫), মাহাবুর রহমান (৪০) ও রোজিনা বিবি (২৩) কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গনিপুর ইউনিয়নের চাপড়া মোহাম্মদপুর গ্রামে। খবর পেয়ে বাগমারা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। ওই ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

 

বাগমারা থানার পুলিশ জানায়, গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার গনিপুর ইউনিয়নের চাপড়া মোহাম্মদপুর গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক একই গ্রামের মাহাবুর রহমানের বাড়ির সংলগ্ন রাস্তা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আব্দুর রাজ্জাক তার লোকজন নিয়ে মাহাবুর রহমানের বাড়িঘরে হামলা চালায়। এ সময় মাহাবুর রহমান বাঁধা দিতে গেলে তাকে পিটিয়ে আহত করে। মাহাবুর রহমানকে উদ্ধারে এগিয়ে আসলে প্রতিপক্ষের আব্দুর রাজ্জাকসহ তার লোকজন মাহাবুর রহমানের স্ত্রী রোজিনা বিবি ও মাসুদ রানাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।

 

 

খবর পেয়ে বাগমারা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গেলে হামলকারীরা পালিয়ে যায়। পুলিশ স্থানীয় লোকজনের সহযোগীতায় আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার ভর্তি করে। হাসপাতালে চকিৎিসাধীন আহত মাসুদ রানা অভিযোগ করে বলেন, সাহাবুর রহমান নামের এক এ্যাডভোকেটের নির্দেশে আব্দুর রাজ্জাক ও তার লোকজন হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর ও পিটিয়ে আহত করেছে।

একই কথা বলেন, বাগমারা থানার উপপরির্দশক (এসআই) সনজীব কুমার। তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে প্রত্যক্ষদর্শীরাই এমনটাই তথ্য দিয়েছে।

 

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বাগমারা থানার ওসি মোস্তাক আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আহতদের পক্ষ থেকে থানায় একটি এজাহার দেয়ার পর পরই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

বাংলার কথা/মাহফুজুর রহমান প্রিন্স/২২জুন, ২০২১

এই রকম আরও খবর

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn