আজ- সোমবার, ১৯শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৭ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি
বাংলার কথা
Header Banner

বাগমারায় পিঁয়াজ চাষে লাভের মুখ দেখছে কৃষক

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

নিজস্ব প্রতিবেদক (বাগমারা) o

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় লাইলা পিঁয়াজের শেষ পর্যায়ে হঠাৎ বাম্পার দামে কৃষকের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।

 

কৃষকরা মৌসুমের শুরুতে পিঁয়াজের দাম ভাল না পাওয়ায় প্রথমে দিশাহারা হয়ে পড়লেও বর্তমান বাজারে লাইলা পিঁয়াজের দাম ভালো হওয়ায় তারা খুব আনন্দিত। তবে আড়ৎদাররা বলছেন, শীত মৌসুমের মুড়িকাটা পেঁয়াজের সরবরাহ শেষ। গ্রীষ্মকালীন নতুন পেঁয়াজ আসতে আরো কিছুদিন সময় লাগবে। এ কারণে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম হওয়ায় দাম বাড়ছে।

 

সরেজমিনে শুক্রবার (১৭ মার্চ) বাগমারার ভবানীগঞ্জ হাটসহ বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখাগেছে, প্রথমে কৃষকরা লাইলা পিঁয়াজ তুলে হাটে বিক্রয় করতে নিয়ে এসে ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থেকে প্রতি মণ ৫৫০ হতে ৬০০ টাকা দরে বিক্রয় করে চোখের পানি ঝড়াতে ঝড়াতে কৃষকরা বাড়ি ফিরে গেছেন। কিন্তু বর্তমানে লাইলা পিঁয়াজের বাজার প্রতি মণ ১৩৫০ থেকে ১৪০০ টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি দেখা গেছে । গত

 

শুক্রবার বাগমারার তাহেরপুর ড়িগ্রি কলেজ মাঠের হাটে লাইলা পিঁয়াজ বিক্রি করতে আসা কৃষক হুমায়ন ও মামুন,হেলাল,আবজাল,কাসেম,জলিল,আলতাফ,মজিদ,মজিবরসহ একাধিক ব্যক্তি জানান,প্রথমে যে দামে আমরা লাইলা পিঁয়াজ বিক্রি করেছি তাতে আমাদের ফসল উৎপাদন করতে প্রতি দিন ৪০০ টাকা হিসেবে যে দিনমজুরি কাজের মানুষকে দিতে হয়েছে সেই টাকা পিঁয়াজ বিক্রি করে জুটেনি। কিন্তু বর্তমানে যে লাইলা পিঁয়াজের বাজার তাতে আমরা খুশি। তবে প্রথম থেকে এইভাবে লাইলা পিঁয়াজের দাম ভালো থাকলে আমরা বর্তমান মৌসুমের সেচ পিঁয়াজ বেশি রোপণ করতাম। এদিকে বাগমারার কৃষকরা লাইলা পিঁয়াজে লোকসান হওয়ার কারণে বর্তমানে সেচ পিঁয়াজের চাষ অনেকাংশে কম করেছে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাজিবুর রহমান জানান, গ্রীষ্মকালীন পিঁয়াজ উঠতে আরো দেরি আছে। লাইলা পিঁয়াজের ভালো দাম পেয়ে কৃষক এখন আনন্দিত।

 

 

বাংলার কথা/মাহফুজুর রহমান প্রিন্স/মার্চ ১৯ ,২০২১

এই রকম আরও খবর

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn