বন্যার কারণে কমছে না কাঁচা মরিচের ঝাঁজ


ফজলুল করিম বাবুল ০
চলমান বন্যার কারণে দেশের বিভিন্ন জেলার ফসলি ক্ষেত তলিয়ে গেছে। এবার বন্যা দীর্ঘস্থায়ীভাবে দেখা দিয়েছে। যে সকল অঞ্চলে কোনদিন কিংবা ২০-২৫ ধরে বন্যার পানি উঠেনি সেখানেও এবার পানি উঠে তলিয়ে গেছে সব। বিলীন হয়েছে এবং হচ্ছে অনেক ঘরবাড়ি ও ফসলের মাঠ। ফলে কৃষকরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পড়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাজশাহীর পবা উপজেলার দারুশার পাইকারী বাজারে কৃষকদের কাঁচা মরিচ বিক্রি করতে দেখা যায়। এর মধ্যে তানোর উপজেলার বাকশপুর গ্রামের কৃষক মকশেদ আলী, কৃষক কবীর খাঁ, চব্বিশ নগরের জববুলসহ উপস্থিত আরো অন্যান্য কৃষক বলেন, কয়েকদিন আগে আরো বেশি দাম ছিল মরিচের। ১৫ দিন আগে এক মন মরিচ সাড়ে সাত হাজার থেকে আট হাজার টাকায় বিক্রি হতো। সে সময় প্রতিদিন ২০০-২৫০ মন করে এই বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি হতো বলে জানান তারা।

তারা আরো বলেন, বন্যায় পবা তানোর ও গোদাগাড়ীর অনেক মাঠে পানি উঠে যাওয়ায় মরিচের গাছ মরে গেছে। যে সকল জমি অনেক উঁচু, সে সকল জমিতে কিছু পরিমাণে মরিচ গাছ রয়েছে। সেখান থেকেই সামান্য পরিমাণে সপ্তাহে কিংবা ১০দিন পর পর মরিচ তুলে বিক্রি করছেন তারা। তবে এখনো দাম ভাল আছে। আজও কেজি প্রতি ১২৫-১৩০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন বলে জানান কৃষকরা।

এদিকে বাজারের আড়তদার আকরাম আলী, ওয়াহাব আলী ও আব্দুল আজিজ বলেন, কয়েকদিন হলো বাজারে মরিচের আমদানি কম হচ্ছে। এ কারণে বাইরের মহাজনরা না আসায় কিছুটা মরিচের দাম কম। এখন প্রতিদিন গড়ে ৫০-৬০মন মরিচ এই বাজারে বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় মহাজনরা মরিচ কিনে রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে নিয়ে বিক্রি করছেন। কখনো লাভ হচ্ছে, আবার কখনো ক্ষতি হচ্ছে বলে জানান তারা।

বাংলার কথা/আগস্ট ১১, ২০২০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Follow by Email
%d bloggers like this: