আজ- বৃহস্পতিবার, ৪ঠা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০শে রজব, ১৪৪২ হিজরি
বাংলার কথা
Header Banner

বগুড়ায় চালু হচ্ছে মধুবন সিনেপ্লেক্স

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
ছবি: এফএনএন২৪।

বাংলার কথা ডেস্ক ০
একেকবার একেকটা ঘটনা সামনে আসে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সবাই বুক বাঁধে সিনেমার দিন ফিরবে। কিন্তু ঘটনা ঘটে গেলেও তার কোথাও কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। গেল কয়েক বছরে বেশ কিছু উদ্যোগ, মিছিল-মিটিং ও আন্দোলনে সরব থাকলেও ঢাকাই সিনেমার জন্য উল্লেখ করার মতো খুব একটা কিছু অর্জিত হয়নি। যা সংকটকাল কাটাতে পারে। তবে হুট করে কিছু সুখবর এসেছে যা আশা জাগিয়েছে। তেমনি একটি সুখবর হলো সিনেমা হল নিয়ে তীব্র সংকটের এই সময়ে যোগ হতে যাচ্ছে একটি সিনেপ্লেক্স। সবেচেয় বড় সুখবড়টি হলো এটি রাজধানীকে কেন্দ্র করে নয়, বগুড়ায় চালু হচ্ছে ‘মধুবন সিনেপ্লেক্স’। গেল কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বগুড়ার অনেক বাসিন্দারা সিনেপ্লেক্সটির ছবি শেয়ার দিয়ে এর সম্পর্কে লিখছেন। জানাচ্ছেন নিজেদের উচ্ছ্বাসের কথা।
সিনেমার সংকটে সিনেপ্লেক্সটি অনেক ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা। সেইসঙ্গে বগুড়াবাসীদের জন্য বিনোদনের এই ব্যবস্থা করায় মধুবন সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তারা।
জানা গেছে, বগুড়ায় ‘মধুবন’ নামে সিনেমা হলটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় ১৯৬৯ সালে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হলটির নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে পড়ে। পরে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা করে ১৯৭৪ সালে। ২০১৩ সালের দিকে উত্তরাধিকার সূত্রে হলটির প্রতিষ্ঠাতা লে.কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) আশরাফুজ্জামান ইউনুসের ছেলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সদস্য রোকনুজ্জামান মো. ইউনুসের হাতে হলের মালিকানা আসে। বর্তমানে তার দুই ছেলে শাইকুজ্জামান ও আকিবুজ্জামান হলের দেখভালের দায়িত্বে আছেন। জানা গেছে, লে.কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) আশরাফুজ্জামান ইউনুসের প্রতিষ্ঠা করা বগুড়ার বিখ্যাত মধুবন সিনেমা হলটিই মূলত সিনেপ্লেক্স হিসেবে যাত্রা করছে।
এখানে আপাতত একটিই স্ক্রিন থাকছে। আগামীতে ব্যবসা ও দর্শক চাহিদার উপর নির্ভর করে স্ক্রিনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। সেইসঙ্গে ২০১৭ সালে সংস্কারের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়া হলটির আসন সংখ্যা কমিয়ে ৮৮৭ থেকে ৩৪০টি করা হয়েছে। তবে চীন থেকে আমদানি করা এই চেয়ারগুলো বেশ আধুনিক ও আরামদায়ক। মধুবন সিনেপ্লেক্সে সুবিধাদির মধ্যে থাকছে ডিএলপি সিনেমা প্রজেক্টর, মুম্বাই থেকে আনা গ্যালাইট কোম্পানির স্ক্রিন, শীততাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। সেইসঙ্গে দর্শকরা পাবেন গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা ও খাবারের জন্য ফুডকোর্ট।
হলের দায়িত্বে থাকা শাইকুজ্জামান বলেন, ‘অনেক বড় পরিকল্পনা নিয়ে মধুবনকে সিনেপ্লেক্স করা হয়েছে। এর সঙ্গে বগুড়ার মানুষের দীর্ঘকালের আবেগ জড়িত। সিনেপ্লেক্স হিসেবে এটিকে সংস্কারের পর থেকেই খুব ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। সরকার করোনা পরবর্তী হল খেলার ঘোষণা দিলেই সিনেপ্লেক্সটি চালু করে দেয়া হবে।’ দেশীয় সিনেমার পাশাপাশি দেশের অন্যান্য সিনেপ্লেক্সগুলোর মতো হলিউডের ছবি প্রদর্শনী করারও পরিকল্পনা রয়েছে মধুবন সিনেপ্লেক্সের।
সূত্র:এফএনএস২৪।
বাংলার কথা/ সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০

এই রকম আরও খবর

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn