সোমবার , ৩১ অক্টোবর ২০২২ | ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খুলনা বিভাগ
  4. খেলাধুলা
  5. চট্টগ্রাম বিভাগ
  6. জাতীয়
  7. ঢাকা বিভাগ
  8. প্রচ্ছদ
  9. ফিচার
  10. বরিশাল বিভাগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. ময়মনসিংহ বিভাগ
  14. রংপুর বিভাগ
  15. রাজনীতি

পিরোজপুরের কাউখালীতে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

প্রতিবেদক
BanglarKotha-বাংলারকথা
অক্টোবর ৩১, ২০২২ ৪:১০ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক :
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ মামুন হাওলাদারকে (৪৫) কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে পার্শ্ববর্তী ভান্ডারিয়া উপজেলার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের ভিটাবাড়িয়া আজহারিয়া দাখিল মাদ্রাসার নিকটে হত্যার ঘটনা ঘটে। এ সময় হত্যাকারীরা মামুনের বাম পা বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে কিছু দূরে একটি ব্রিজের নিচে ফেলে চলে যায়। এমনকি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তার চেহারা বিকৃত করে দেয় সন্ত্রাসীরা।

এ সময় নিহত ইউপি সদস্যের সাথে থাকা তার মোটরসাইকেল চালক সজলকেও পিটিয়া আহত করে সন্ত্রাসীরা। নিহত মামুন ভান্ডারিয়া উপজেলার জোলাগাতি গ্রামের মৃত মোনাজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। তবে এ ঘটনা কারা ঘটিয়েছে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলতে পারেনি পুলিশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান।

স্থানীয়রা জানান, সকালে মোটরসাইকেলযোগে নিজের বাড়ি থেকে ভান্ডারিয়া উপজেলার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়ন পরিষদে যাচ্ছিলেন মামুন। জোলাগাতি থেকে শিয়ালকাঠি ইউনিয়নে যেতে হলে ভান্ডারিয়া উপজেলার ভিটাবাড়িয়া গ্রামের রাস্তাদিয়ে যেতে হয়। যাওয়া পথে উত্তর ভিটাবাড়ি আজহারিয়া দাখিল মাদ্রাসা অতিক্রম করে কিছুদূর দক্ষিণে পৌঁছানোর পর সন্ত্রাসীরা তার গতিরোধ করে। এরপর তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে সেখানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে তার মোটরসাইকেলের চালক সজলের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসে। নিহত মামুনের স্ত্রী নিলুফা বেগম জানান, একই এলাকার সিদ্দিক গাজীর সাথে মামুনের বিরোধ রয়েছে। আজ সিদ্দিক রাজুসহ কয়েকজন তার স্বামীকে হত্যা করেছে। এর আগেও তারা মামুমকে হুমকি দিয়েছিল।
শিয়ালকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শিকদার দেলোয়ার হোসেন মোটরসাইকেল চালকের বরাদ দিয়ে জানান, পূর্বেই সন্ত্রাসীরা ওত পেতে ছিল। মামুন পৌছানোর সাথে সাথে সামনে ও পিছন থেকে হামলা করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, হত্যাকান্ডের কারন সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পারিবারিক বিরোধ, রাজনৈতিক বিরোধসহ সম্ভব্য সব বিষয় মাথায় রেখে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানান যাবে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ - প্রচ্ছদ

আপনার জন্য নির্বাচিত