আজ- সোমবার, ১লা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রজব, ১৪৪২ হিজরি
বাংলার কথা
Header Banner

পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঘিরে সংঘর্ষ ঘটনায় আটক ১

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp


ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি o
পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ার) আসনে উপনির্বাচন উপলক্ষ্যে ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগে কার্যালয়ে তৃণমুল প্রতিনিধি সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নেতা, এমপি ও অতিথিদের সামনে দুগ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় হামলা ও ছুরিকাঘাত মামলায় একজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। আটক যুবলীগ কর্মী সনি প্রামানিক ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী লীগের ৭ নং ওয়ার্ডের সভাপতি গোলবার হোসেন প্রামানিকের ছেলে। ঈশ্বরদী থানার ওসি শেখ মো. নাসীর উদ্দিন আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
থানায় দায়ের করা মামলা সুত্রে জানা যায়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে নির্বাচনী দিক নির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদানের লক্ষ্যে তৃণমুল প্রতিনিধি সম্মেলন উপজেলা আওয়ামীলী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেনকে সংবর্ধনা প্রদানকে কেন্দ্র করে ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মেয়র আবুল কালাম আজাদ মিন্টু গ্রুপের সঙ্গে পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইছাহক আলী মালিথা গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বাঁধে। কেন্দ্রীয় নেতাসহ আওয়ামী লীগের এমপি ও জনপ্রতিনিধিদের সামনেই ঘটে চেয়ার ভাঙচুর, লাঠি-সোটা, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা। বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে মিমাংসা করা হয়। এরপর আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম খানের ছেলে রনি খানকে প্রতিপক্ষের লোকজন উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। এই ঘটনায় আহত রনি খানের চাচা মজিবার খান বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় ১৩ জন নামীয় ও অজ্ঞাত আরো ৪০/৫০ জনের মামলা দায়ের করেন।
এই মামলায় যুবলীগ নেতা সজিব মালিথা, মিলন চৌধুরী, সদ্য স্থগিত হওয়া ঈশ্বরদী পৌর যুবলীগ সভাপতি আলাউদ্দিন বিপ্লব, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রনিসহ ১৩জনকে নামীয় আসামী করা হয়েছে। হামলা ও মামলার পর থেকেই শহর জুড়ে থমথমে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বিরাজ করছে আতংক।
ঈশ্বরদী থানার ওসি শেখ মো. নাসীর উদ্দীন জানান, এই মামলার নামীয় আসামী সনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অন্যান্য আসামীরা পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা চলছে। পুলিশ সতর্ক রয়েছে।
এদিকে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আহত রনি খান রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (রামেক) চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার অবস্থা বর্তমানে আশংকা মুক্ত বলে পরিবার সুত্রে জানা গেছে।
বাংলার কথা/শেখ মেহেদী হাসান/ সেপ্টেস্বর ১৮, ২০২০

এই রকম আরও খবর

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn