নওদাপাড়া বাজার সাধারণ ব্যবসায়ীক মালিক সমিতির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক o

রাজশাহীর নওদাপাড়ার নবনির্মিত মার্কেট নিয়ে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে ফারুক নামে এক ব্যক্তি। ফারুক এই মার্কেটের কেউ না হয়েও নিজের হীন স্বার্থ হাসেল করার জন্যই এই মার্কেট নিয়ে তিনি বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করছেন।

নওদাপাড়া বাজার সাধারণ ব্যবসায়ীক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার বলেন, নওদাপাড়া বাজারে ফারুকের অনেক আগে একটি দোকান ছিলো। কিন্তু তিনি তা অন্যের নিকট বিক্রি করে দেন। সে থেকে তিনি এই মার্কেটের সাথে জড়িত নন। এমনকি কোন কমিটি ও সমিতির মধ্যেও নেই। অথচ তিনি ব্যবসায়ী ও জনগনের নিকট ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সদস্যদের হেয় করার জন্যই এগুলো করছেন।

তিনি বলেন, সরকারী জায়গায় ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে ৬৭টি দোকান করা হয়েছে। বিষয়টি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং স্থানীয় কাউন্সিলর অবগত আছেন।

তিনিসহ অত্র সমিতির সভাপতি সাহেব আলী বলেন, তারা সবাই নওদাপাড়া বাজারে দীর্ঘদিন থেকে ব্যবসা করে আসছেন। রাস্তা উন্নয়নের জন্য সিটি কর্পোরেশন হতে পূর্বের সব দোকান ভেঙ্গে দেয়া হয়। ফলে তারাসহ সকল ব্যবসায়ী পথে বসে যান। এ অবস্থায় ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সকলের নিজ অর্থায়নে এই মার্কেট নির্মাণ করেন এবং সেখানে সবাই মিলে এখন ব্যবসা করেছন। কিন্তু ফারুক যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। কারন যে টাকা উত্তোলন করা হয়েছিলো তা স্ট্যাম্পে লিখিত করে নেয়া হয়েছে। কোন ব্যবসায়ীর একটি টাকাও আত্মসাৎ করা হয়নি। আর এই মার্কেট থেকে কেউ ভাড়া আদায় করেনা বলে জানান তারা।

তারা আরো বলেন, ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করে নিজ থেকে তারা দোকান ভাড়া বাবদ কিছু টাকা সিটি কর্পোরেশনকে দেয়ার চিন্তাভাবনা করছেন। এ বিষয়ে অত্র মার্কেটের ব্যবসায়ীদের নিকট জানতে চাইলে ইলেক্ট্রনিক্স ব্যবসায়ী নাজিম উদ্দিন, গার্মেন্টস ব্যবসায়ী শওকত, বাচ্চু, ইমদাদ ও শান্ত, দর্জি রুবেল ও কালাম, ওষুধের ব্যবসায়ী সবুর খান, কসমেটিক্স ব্যবসায়ী আমিরুল ও ইনসানসহ আরো অনেক ব্যবসায়ী বলেন, তারা সবাই মিলে এই মার্কেট নির্মাণ করেছেন। এখানে কেউ কারো টাকা আত্মসাৎ করেনি। তবে এই মার্কেট সিটি কর্পোরেশন চাইলে যে কোন ভেঙ্গে দিতে পারে। কারন এখানে আগামীতে কর্পোরেশন মার্কেট করবেন বলে জানান তারা।

এ বিষয়ে ফারুকের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, নওদাপাড়া বাজারে তার কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নাই। যা ছিলো পূর্বে তা বিক্রি করে দিয়েছেন। এখন নতুন এই মার্কেটে কাউন্সিলরের নিকট তিনি একটি দোকান আবদার করেন। কিন্তু মার্কেট করার সময় ফারুক টাকা না দেয়ায় কাউন্সিলর তাকে দোকান দিতে পারেনি। এজন্য তিনি রাগ করে ডিসি বরাবরে এ অভিযোগ করেছেন বলে জানান ফারুক।

বাংলার কথা/ অক্টোবর ০১, ২০২০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Follow by Email
%d bloggers like this: