সোমবার , ১৭ অক্টোবর ২০২২ | ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খুলনা বিভাগ
  4. খেলাধুলা
  5. চট্টগ্রাম বিভাগ
  6. জাতীয়
  7. ঢাকা বিভাগ
  8. প্রচ্ছদ
  9. ফিচার
  10. বরিশাল বিভাগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. ময়মনসিংহ বিভাগ
  14. রংপুর বিভাগ
  15. রাজনীতি

দেশ ও জনগণের কল্যাণই প্রধানমন্ত্রীর প্রধান লক্ষ্য: স্পিকার

প্রতিবেদক
BanglarKotha-বাংলারকথা
অক্টোবর ১৭, ২০২২ ৩:২১ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক :
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদেশের মানুষকে গভীরভাবে ভালবাসেন। ১৫ আগস্টের কালরাত্রিতে স্বজন হারানোর ব্যথা নিয়ে আজ অবধি এদেশের মানুষের ভোট-ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে দেশকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি লড়াই করেছেন।

তিনি আরো বলেন, সব হারানোর ব্যথা নিয়ে তিনি দেশ পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। অসংখ্য ঘাত-প্রতিঘাত ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করা সত্যিই বিরল ও অনন্য। দেশ ও জনগণের কল্যাণই যার প্রধান লক্ষ্য। তিনি লক্ষ্য অর্জনে সফল হয়েছেন।

সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি রচিত ‘বিশ্বে বিরল অনন্য শেখ হাসিনা’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন স্পিকার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পার্লাামেন্টস মেম্বারস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এ বি তাজুল ইসলাম এমপি। আলোচনায় অংশ নেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব কবি ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, সংসদ সচিবালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন গ্রন্থের লেখক বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দর্শনকে ধারণ করে তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। এ সময়ে তার নেতৃত্বে পদ্মাসেতু নির্মাণ, সমুদ্রসীমা জয়, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, খাল ও নদী খনন, কর্ণফুলি টানেল নির্মাণসহ অসংখ্য কাজে দেশের সক্ষমতা এসেছে।

স্পিকার বলেন, বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের যে লক্ষ্য নিয়ে জাতির পিতা সংগ্রাম করেছিলেন, তারই ধারাবাহিকতায় বাবার অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণের উদ্দেশ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলার মানুষ ও উন্নয়ন নিয়ে তার দর্শন ও গণতন্ত্রের প্রতি একনিষ্ঠতাসহ অন্যান্য বিষয়গুলো সবকিছুকে ছাপিয়ে যায়। একদিকে বঙ্গবন্ধুকন্যা হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে চলার পথ দেখিয়ে দিচ্ছেন, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য তার পিতার দেখানো পথে এগোচ্ছেন, অন্যদিকে এগারো লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে তিনি মানবতার মা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া কর্মসূচি তুলে ধরে স্পিকার বলেন, ভূমিহীন-গৃহহীনদের জন্য নয় লাখ ঘর তৈরির পরিকল্পনা তিনি বাস্তবায়ন করছেন। অর্থনৈতিক পরিকল্পনাগুলো যেন সকল মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে সে লক্ষ্যে তিনি কাজ করছেন। পারিবারিক জীবনে একজন মা হিসেবে সন্তান গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তিনি সফল। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে উন্নয়নশীল দেশের পথে এগিয়ে নেওয়া, ২০৪১ সালের পরিকল্পনা প্রণয়ন ও ২১০০ সালের ডেল্টা প্ল্যান প্রণয়নের সুদূরপ্রসারী চিন্তা তার মতো দক্ষ প্রশাসকের পক্ষেই সম্ভব বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সর্বশেষ - প্রচ্ছদ