থাইল্যান্ডে ক্রমবর্ধমান বিক্ষোভ দমনে জরুরি ফরমান জারি

ছবি:বাসস।

বাংলার কথা ডেস্ক ০

থাইল্যান্ড বৃহস্পতিবার চারজনের বেশি মানুষ একত্রিত হওয়া নিষিদ্ধ করে একটি জরুরি ফরমান জারি করেছে। রাজতন্ত্র পর্যন্ত গড়িয়ে যাওয়া গণতন্ত্রপন্থীদের ক্রমবর্ধমান বিক্ষোভ দমনের অংশ হিসেবে এটি জারি করা হয়। এএফপি।

এ ফরমান জারির ব্যাপক ক্ষমতার আওতায় ২০ জনের বেশি লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফরমান জারির প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুথ চান ও তার সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্রদের নেতৃত্বে চলা কয়েক মাসের বিক্ষোভ বন্ধ করা। সাবেক সেনা প্রধান চান-ও-চা ২০১৪ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন।

বিক্ষোভকারীরা রাজকীয় মটর শোভযাত্রাকে চ্যালেঞ্জ করার এক দিন পর এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার জরুরি ফরমান জারি করার পর বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ব্যাপক অভিযান চালায়। এ সব বিক্ষোভকারী প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের বাইরে ক্যাম্প করে রাতভর অবস্থান করছিল।

বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী পানুসায়া সিথিজিরাওয়াতানাকুল জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ছাত্র নেতা পারিত চিওয়ারাকও রয়েছেন। তিনি পেঙ্গুইন হিসেবে অনেক পরিচিত।

থাইল্যান্ডের রাজার অভিষেক অনুষ্ঠান উপলক্ষে রাজা মাহা ভাজিরালংকর্ণ এবং তার পরিবারকে নিয়ে পূর্ব নির্ধারিত রাজকীয় মটর শোভাযাত্রার প্রাক্কালে বুধবার ব্যাংকক’স ডেমোক্রেসি মনুমেন্টের চারপাশে হাজার হাজর বিক্ষোভকারীদের সমাবেশের পর এ নির্দেশ আরোপ করা হয়।

একাধিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ গণতন্ত্রপন্থী অন্তত ২০ জন এক্টিভিস্টকে আটক করেছে।

জরুরি অবস্থার আওতায় পুলিশ ৩০দিন পর্যন্ত কোন অভিযোগ ছাড়াই লোকজনকে গ্রেফতার করতে পারবে বলে একটি মানবাধিকার গ্রুপ জানিয়েছে।

এদিকে অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের উপ-আঞ্চলিক পরিচালক এক বিবৃতিতে আটককৃতদের মুক্তি দাবি করেছেন।
বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ২০১৪ সালে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণ করেন। তিনি সাবেক সেনা প্রধান ছিলেন।

এছাড়া বিক্ষোভকারীরা নতুন সংবিধান দাবি করেছে এবং দীর্ঘদিনের নীতি ভেঙে রাজার ক্ষমতা কমানোরও আহ্বান জানিয়েছে।

 

সূত্র:বাসস।

বাংলার কথা/অক্টোবর ১৫, ২০২০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Follow by Email
%d bloggers like this: