সোমবার , ১৬ জানুয়ারি ২০২৩ | ২০শে মাঘ, ১৪২৯
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খুলনা বিভাগ
  4. খেলাধুলা
  5. চট্টগ্রাম বিভাগ
  6. জাতীয়
  7. ঢাকা বিভাগ
  8. প্রচ্ছদ
  9. ফিচার
  10. বরিশাল বিভাগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. ময়মনসিংহ বিভাগ
  14. রংপুর বিভাগ
  15. রাজনীতি

ঢাকাকে হারিয়ে জয় পেল মাশরাফির সিলেট

প্রতিবেদক
BanglarKotha-বাংলারকথা
জানুয়ারি ১৬, ২০২৩ ৫:০৩ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক :
বিপিএলে ঢাকা ডমিনেটরসেরকে হারিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে জয় পেল সিলেট স্ট্রাইকার্স। সোমবার বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্বে মিডল অর্ডারদের ব্যর্থতায় ১২৯ রানের লক্ষ্য পেরোতে শেষ ওভার পর্যন্ত খেলতে হয় মাশরাফি বিন মর্তুজার দলকে। চার বল হাতে রেখে পাঁচ উইকেটে জয় পায় সিলেট।

অল্প রানের পুঁজি নিয়ে ম্যাচটি নিজেদের পাল্লায় প্রায় টেনে নিয়ে যাচ্ছিল ঢাকা। কিন্তু শেষ দিকে থিসারা পেরেরা ও আকবর আলীর ঝড়ো ইনিংসে জয়ের স্বপ্ন মাটিতে মিশে যায় তাদের।

অল্প রানের লক্ষ্যে নেমে মোহাম্মদ হারিস উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দলকে। তবে আরেক ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত সুবিধা করতে পারেননি। ২০ বল খেলে করেন ১২। অপর প্রান্তে অবশ্য রানের চাকা সচল রাখেন হারিস। তবে শান্তর মতো তাকেও সাজঘরে ফিরতে হয় নবম ওভারে। ৩২ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৪৪ রান করেন তিনি। ৬১ রানের ভেতর দুই ওপেনারকে বিদায় করে ঢাকাকে ম্যাচে ফেরান অধিনায়ক নাসির হোসেন।
জাকির হাসান করেন এক, ইমাদ ওয়াসিম ২০ বলে ১১। মুশফিকুর রহিম কিছুটা সময় ধরে খেললেও তার ইনিংস টি-টোয়েন্টির সঙ্গে মানানসই ছিল না। তিনি ২৫ বলে ২৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ফলে শেষদিকে এসে চাপে পড়ে সিলেট। শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ২০ রান।

কিন্তু শেষ দিকে থিসারা পেরেরা ও আকবর আলীর টর্নেডো ইনিংসে জয়ের স্বপ্ন মাটিতে মিশে যায় ঢাকার। সৌম্য সরকারকে ছক্কা হাঁকিয়ে চার বল হাতে রেখে ম্যাচ শেষ করেন পেরেরা। ১১ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ২১ রান করেন তিনি। অপর প্রান্তে ৫ বলে ১ ছক্কায় ১০ রান করে অপরাজিত ছিলেন আকবর।

এর আগে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে ঢাকা। সিলেটের বোলিং তোপে শুরু থেকেই দিশেহারা হয়ে পড়ে তারা। ইনিংসের তৃতীয় বলেই গোল্ডেন ডাক উপহার দেন নিজেকে হারিয়ে খোঁজা সৌম্য সরকার। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে দিলশান মুনাভীরা ও রবিন দাসকে একযোগে ফেরান পাকিস্তানি স্পিনার ইমাদ ওয়াসিম।

এই ধাক্কার পর রানের গতি বাড়েনি ঢাকার। থিতু হয়েও ২৮ বলে ২৭ রান করে নাজমুল অপুর বলে বোল্ড হন উসমান গণি। মোহাম্মদ মিঠুনও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ইমাদের শিকার হওয়ার আগে ২৩ বলে ১৫ রান করেন মিঠুন। শেষ দিকে নাসির হোসেন ও আরিফুল হকের ব্যাটে চড়ে কোনোমতে শতরান পেরোয় ঢাকা। ৩১ বলে ৩ চার ও ১ ছয়ে ৩৯ রান করেন নাসির। ১ চার ও ১ ছক্কায় ১৬ বলে ২০ রান করে ফেরেন আরিফুল। সবশেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রান তোলে ঢাকা।

সিলেটের হয়ে ইমাদ সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন। এছাড়া রুবেল, নাজমুল ও মোহাম্মদ আমির নেন একটি করে উইকেট।

সর্বশেষ - প্রচ্ছদ