টনসিল অপারেশনের বিষয়ে কিছু তথ্য

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

ডা. মিলন কুমার চৌধুরী ০

 
টনসিল কি?
টনসিল হল একপ্রকার লিম্পয়েড টিস্যু, যা আমাদের জিহ্বার গোড়ার দুই পাশে গলার ভিতর অবস্থান করে। এটির আকার ডিম্বাকার এবং এর গায়ে অমসৃন গর্ত আছে। বাচ্চাদের টনসিল একটু বড় থাকে এবং বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে এটির আকৃতি কমতে থাকে। তিন থেকে চার বছর পর্যন্ত এটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি করতে ভূমিকা পালন করে। তবে গলার চারিদিকে টনসিল ছাড়াও আরো কিছু লিম্পয়েড টিস্যু থাকে যেমন, অ্যাডিনয়েড (নাকের পিছনে গলার সংযোগস্থলে), টিউবাল টনসিল (ইউস্টাশিয়ান টিউবের মুখের পার্শ্বে), লিঙ্গুয়াল টনসিল (জিহ্বার গোড়ার অমসৃন জায়গায়)। এগুলো একই কাজ করে এবং গলার ভিতর এইসব টিস্যু থাকার জন্য অনেকসময় অমসৃন দেখা যায় ফলে অনেকেই নানান রকম দুশ্চিন্তায় ভোগেন, যার কোন ভিত্তি নেই।
 
অপারেশন কখন
টনসিল বিষয়ে সাধারন মানুষের ভিতর এক ধরনের ভীতি কাজ করে। যেমন, এখান থেকে ভবিষ্যতে ক্যান্সার হবে। আসলে এই ধারনা সম্পূর্ন অবান্তর। ক্যান্সার হয় ধূমপান থেকে। গলায় টনসিলে ক্যান্সার নিয়ে অনেকেই খুব দুশ্চিন্তায় ভোগেন। টনসিলাইটিস থেকে বাতজ্বর হতে পারে, কিন্তু সম্ভাবনাও খুব কম। বাচ্চার হাত-পা ব্যাথা হলেই সেটা বাতজ্বর নয়, বাচ্চাদের হাড় বৃদ্ধির সময় হাত পায়ে ব্যথা হয়, এটাকে Growing Pain বলা হয়।
 
সামান্য গলা ব্যথা হলেই টনসিলাইটিস নাও হতে পারে। টনসিলের ইনফেকশন আসলে খুবই কষ্টকর। রোগীর গলার দুইপাশে মারাত্মক ব্যাথা হয়, তীব্র জ্বর থাকে। রোগী কিছু খেতে পারে না, এমনকি নিজের লালাটুকুও গিলতে পারে না। শয্যাশায়ী হয়ে স্যালাইন/ইনজেকশনের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রয়োজন হয়। গলার ভিতর দেখলে টনসিল দুটো লাল হয়ে ফুলে যায় এবং সাদা বিন্দু বিন্দু দাগ দেখা যায়। ৫/৭ দিন পর্যন্ত রোগীর কাজকর্ম/ স্কুল কলেজ বন্ধ রাখতে হয়। তবে সবসময় টনসিলাইটিস এতো তীব্র নাও হতে পারে। এরকম টনসিলাইটিস যদি বছরে ৫/৭ বার হয় বিগত ২/৩ বছর ধরে, তাহলে টনসিল অপারেশন করা হয়।
 
অনেক সময় একদিকের/দুইদিকের টনসিলের নীচে পুজ জমা হয়। এটি খুবই কষ্টকর। একে বলা হয় পেরিটনসিলার অ্যাবসেস, এরকম ক্ষেত্রে একবার হলেই অপারেশন করা হয় (এক থেকে দেড় মাস পর)।
 
অনেক রোগীর গলায় সবসময় মৃদু ইনফেকশন টনসিলের মধ্যে থেকে যায়, ফলে টনসিল দুটি সবসময় ফোলা থাকে, গলার বাইরের দুইপাশে লিম্পয়েড গ্রন্থি ফোলা থাকে এবং টনসিলের উপর চাপ দিলে ভিতর থেকে সাদা একপ্রকার পদার্থ বেরিয়ে আসে। এক্ষেত্রে রোগীর সমস্যা তীব্র হলে অপারেশন করা হয়।
 
বাচ্চাদের (৪-১০ বছর) ক্ষেত্রে বারবার সর্দি কাশি হলে গলার ভিতর টনসিল এবং অ্যাডিনয়েড ফুলে যায়। সাধারণত, একটু ফুলে গেলে সেটা নিয়ে বিচলিত হবার কারণ নেই। কিন্তু যদি সে কারণে বাচ্চার খাবার খেতে, রাতে ঘুমের ভিতর শ্বাস নিতে সমস্যা হয়, তাহলে এটা বাচ্চার অনেক ক্ষতি করতে পারে। এক্ষেত্রে দ্রুত পরীক্ষা নিরীক্ষা করে, প্রয়োজন হলে অপারেশন করিয়ে নেয়া উচিত। বর্তমানে এটিই টনসিল অপারেশনের সবচেয়ে বড় কারণ। এক্ষেত্রে টনসিল অপরেশনের সাথে একবারে Adenoidectomy করা হয়।
 
কখনও কখনও অস্বাভাবিকভাবে একদিকের টনসিল বড় হয়ে গেলে, টনসিলের গায়ে সন্দেহজনক ক্ষত দেখা গেলে অপারেশন করে Histopathology পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যান্সার আছে কিনা নিশ্চিত করা হয়। যদি কোন বাচ্চার সুস্পষ্টভাবে বাতজ্বরের লক্ষণ থাকে এবং টনসিলের ইনফেকশন থাকে তাহলে অবশ্যই টনসিল অপারেশন করা প্রয়োজন।
 
যাদের এলার্জির সমস্যা থাকে, তাদের সামান্য ঠান্ডা বা ধুলাবালিতে গলা খুশখুশ করে, সামান্য ব্যাথা হয়, আবার গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করলে ব্যথা চলে যায়। এক্ষেত্রে এটিকে Pharyngitis বলা হয়। গলার ভিতর দেখলে জিহ্বার গোড়ার উল্টাদিকে লালচে দানা দানা দেখা যায়। এক্ষেত্রে টনসিল অপারেশন করে রোগীর কোন লাভ হয় না। সতর্কতার সাথে চললে সমস্যার হাত থেকে মুক্ত থাকা যায়।
 
আর একটি কথা হলো তীব্র ব্যাথা/জ্বর/কাশি/সর্দি এরকম অবস্থায় টনসিল অপারেশন করা হয় না। সেক্ষেত্রে ১/২ মাস পর অপারেশন করা হয়। ইতিমধ্যে ঔষধ দিয়ে রোগী সুস্থ হয়।
 

 
যেভাবে অপারেশন করা হয়
টানসিল অপারেশনের সময় রোগীকে সম্পূর্ণ অজ্ঞান করা হয়, বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে মুখ হাঁ করিয়ে মুখের ভিতর দিয়ে টনসিল দুটি অপারেশন করে বের করে আনা হয়।  সাধারণ বিশেষ ধরণের সিজার, ফোরসোপস ইত্যাদি যন্ত্রপাতির মাধ্যমে অপারেশন করা হয়।  তবে বর্তমানে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও ব্যবহার করা যায়।  সবেচেয় বেশী ব্যবহৃত হয় Bipolar Caurtery System. এ ছাড়াও Coblation, LASER, Harmonic Scalpel ইত্যাদি প্রযুক্তির ব্যবহার করা যায়।  তবে মূলত পুরাতন পদ্ধতিতে অপারেশনই সর্বোত্তম বলে স্বীকৃত। নতুন পদ্ধতিগুলোতে খরচ বেশী হলেও বাড়তি সুবিধা নিতান্তই কম, বরং কিছু ঝুঁকির মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
 
অপারেশন শেষে ক্ষতস্থান হতে রক্তক্ষরণ হতে থাকলে তা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হয় এবং পুনরায় পরীক্ষা করে দেখা হয়। গলার ভিতর কোন গজ/প্যাক থাকলে বের করে গলা পরিস্কার করা হয় এবং রোগীর জ্ঞান ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যে রোগীর চেতনা ফিরে আসে এবং রোগী সবকিছু স্বাভাবিক হলে তাকে Post Operative ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়।
 
রোগীকে কাত করে মাথার নীচে পাতলা বালিশ দিয়ে এমনভাবে রাখতে হবে যেন রোগীর মুখ ওয়ার্ডের ভিতর হতে সহজে দেখা যায়। ১৫ মিনিট পরপর রোগীর Pulse এবং Blood Pressure দেখতে হবে। রোগীর নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছে কিনা বা ঠিকমত নিঃশ্বাস নিচ্ছে কিনা, নাক/মুখ থেকে রক্ত বের হচ্ছে কিনা, ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছে কিনা, তা খেয়াল করতে হবে। রোগী ঘন ঘন ঢোক গিলছে কিনা বা বমি করে অনেক রক্ত উঠছে কিনা, তাও খেয়াল রাখতে হবে।
 
যদি গলার ভিতর রক্ত জমে বলে মনে হয়, তাহলে Tongue Depressor দিয়ে মুখ হাঁ করিয়ে গলার ভিতর সাবধানে Suction দিতে হবে, যেন কাটা জায়গায় খোঁচা না লাগে। অথবা ভিজা গজপিস Artery Foreceps এর মাথার ধরে আলতো করে গলার ভিতর এর রক্ত মুছে আনতে হবে। রোগীকে বলতে হবে গলার ভিতর জমা রক্ত বা লালা থুতুর মাধ্যমে বের করে দিতে অথবা ঢোক গিলে ফেলতে। ব্যথার কথা বললে ডক্তার এর পরামর্শ মোতাবেক ব্যথার ঔষধ দিতে হবে। যদি বাচ্চার ক্ষেত্রে Adenoid অপারেশন করা হয়, তাহলে নাক দিয়ে রক্ত আসতে পারে। সেক্ষেত্রে নাকের ভিতর আলতো করে Suction দিতে হবে এবং নাকের ড্রপ (Antazol/Afrin/Rynex) দিতে হবে।
 
 
খাবার
রোগী অপারেশনের পর অজ্ঞানের প্রভাব মুক্ত হয়ে গেলে বা ঘুম থেকে জাগার ৩-৪ ঘন্টা পর রোগীকে চামচ দিয়ে আইসক্রিম অল্প অল্প করে খাওয়াতে হবে। তবে রোগী যদি খেতে না পারে, তাহলে জোর করার দরকার নেই।  প্রথম ১২ ঘন্টায় ২-৩টা আইসক্রিম খাওয়ালে চলবে। ১২ ঘন্টা পর ঠান্ডা তরল খাবার যেমন- ঠান্ডা জুস, পানি খেতে পারে। সমস্যা হলে নরম পাউরুটি দুধে ভিজেয়ে খেতে পারে। তবে খাবার পর রোগী ঠান্ডা পানি দিয়ে কুলি গড়গড়া করবে, যেন খাবার মুখে জমে না থাকে। ১২ ঘন্টা পর থেকে ১ গ্লাস পানিতে ২ ছিপি হাইড্রোজেন পার-অক্সইড মিশিয়ে দৈনিক ৩-৪ বার গড়গড়া করবে, যাতে গলা পরিষ্কার থাকে। এছাড়া প্রতিবার খাবার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে গড়গড়া করবে। ২৪-৪৮ ঘন্টার মধ্যে রোগী নরম খাবার খাবে যেমন- মাড়ি ভাত, নরম খিঁচুড়ি, দুধে ভেজা নরম পাউরুটি অথবা তরল করা খাবার। ৪৮ ঘন্টা পর রোগী স্বাভাবিক খাবার খাবে। এতে রোগীর কষ্ট হলেও স্বাভাবিক খাবার খেলে রোগীর গলাব্যথা তাড়াতাড়ি কমবে এবং রোগী তাড়াতাড়ি সুস্থ হবে।  ধারালো বা শক্ত খাবার যেমন- শুকনা চিড়া, মুড়ি, খৈ, টোষ্ট বিস্কুট ইত্যাদি ছাড়া সব স্বাভাবিক খাবার যেমন ভাত-তরকারি, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, টক-ঝাল, মিষ্টি সব খাবার রোগী খেতে পারবে। টক, দুধ ইত্যাদির জন্য রোগীর কোন নিষেধ নেই।  ২৪ ঘন্টা পর রোগী গোসল করতে পারবে এবং স্বাভাবিক চলাফেরা ও হালকা কাজকর্ম করতে পারবে।
 
অনেক রোগী গলা ব্যথার জন্য ঠিকমত খেতে পারে না। সেক্ষেত্রে খাবার ২০-২৫ মিনিট আগে একটি Voltalin Suppository, ৬ বছরের নীচে ১২.৫ মি.গ্রাম, ৬-১২ বছর ২৫ মি.গ্রাম, ১২ বছরের বেশি ৫০ মি.গ্রাম নির্দেশ মতো ব্যবহার করবে। তাতে ব্যথা কমলে এরপর খাবার খাবে।  এভাবে তিনবেলা খাবার আগে ঔষধ ব্যবহার করলে এবং পেট ভরে খাওয়া-দাওয়া করলে এবং নির্দেশমত গড়গড়া করলে দ্রুত ব্যথা কমবে। অনেক সময় ব্যথা কানে অনুভূত হয়। সেক্ষেত্রে এটা গলাব্যাথার থেকেই কানে ব্যথা আসে এবং এতে ভয়ের কোন কারণ নেই।  তবে, হঠাৎ বেশী রক্ত আসলে, বেশী জ্বর আসলে বা গলা ব্যথা মারাত্মক হলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
 

 
 
অপারেশন বিষয়ক ঝুঁকি সমূহ
যদিও বেশীর ভাগ রোগী নিরাপদে অপারেশনের পর ভালোভাবে সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে যায়। খুব অল্পসংখ্যক রোগীর ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা হতে পারে। সবগুলো সমস্যা একজন রোগীর ক্ষেত্রে হয় না।  সম্ভাব্য সকল প্রকার সমস্যার বিষয়ে অবগত হওয়া উচিত।
১.   রক্তপাত : এটি অপারেশনের সময় বা ২ সপ্তাহ পরে হতে পারে। অপরেশন থিয়েটার হতে বের হবার পরপরই রক্তক্ষরন হলে তাৎক্ষনিকভাবে কিছু উপায়ে তা বন্ধ হয়ে যায়। তবে কখনও কখনও রোগীকে পুনরায় অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে অজ্ঞান করে রক্ত বন্ধ করা প্রয়োজন হতে পারে।  বিশেষ ক্ষেত্রে রক্ত সঞ্চালন প্রয়োজন হতে পারে। ছুটি হবার পর সাধারণত গলার ইনফেকশন হতে সামান্য রক্তপাত হতে পারে, যা সাধারণ চিকিৎসাতেই ভালো হয়। এক্ষেত্রে পূনরায় ভর্তির খুব কম প্রয়োজন হয়।
২. ইনফেকশান : মুখের থেকে ক্রমাগত দুর্গন্ধ আসলে, জ্বর হলে, গলার ব্যথা বৃদ্ধি পেলে রোগীর গলায় ইনফেকশন হচ্ছে বলে ধরে নেয়া যায়।  এক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক পরিবর্তন করা লাগতে পারে।  অনেক সময় ইনফেকশান হতেও গলা থেকে রক্ত ঝরতে পারে।
৩.   ব্যথা : গলা ব্যাথা ৫-৭ দিন পর্যন্ত থাকে, যা সাধারণ ব্যথার ঔষধেই সেরে যায়। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে এই ব্যথা ২ সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে। ব্যথা অনেক সময় কানে অনুভূত হতে পারে। স্বাভাবিক খাবার একটু খেলে ও গলা পরিস্কার রাখলে ব্যথা দ্রত নিরাময় হয়।
৪.   দাঁত, মাড়ি, জিহ্বা ঠোঁট এসব জায়গায় অনেক সময় ছোট-খাটো আঘাত লাগতে পারে। রক্ত বন্ধ করতে ব্যবহার করা ডায়াথার্মি মেশিনের অনিচ্ছাকৃত ছোয়া লেগে অনেক সময় মুখের ভিতর/পাশে খুব সামান্য জায়গা Burn হতে পারে।এগুলোর জন্য বাড়তি কোন সমস্যা হয় না।
৫.   টনসিল অপারেশনের পর অনেকের ক্ষেত্রে গলার ভিতর ক্ষতস্থানটি শুকানোর সময় অতিরিক্ত Fibrosis হতে পারে। এতে করে কারও খাবার খেতে, মুখ হাঁ করতে কিছুটা অসুবিধা হতে পারে।
৬.   প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের টনসিল অপারেশনের পর কারও কারও গলার ব্যথা পুরোপুরি সারে না। এমনকি খুব কম ক্ষেত্রে কোনো রোগীর গলা ব্যথা বৃদ্ধিও পায়, যাকে Post. Tonsillectomy Neuralgia বলা হয়। এটি কোন মারাত্মক সমস্যা নয়। আতঙ্কিত না হয়ে নিয়মিত ঔষধ সেবনে রোগী ভালো থাকতে পারে।
৭.   কারও কারও ক্ষেত্রে কিছুদিন পর্যন্ত গলার স্বর কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে, যা পুনরায় স্বাভাবিক হয়ে যায়।
৮.   অজ্ঞান বিষয়ক কিছু জটিলতা যেমন বমি, মাথাঘোরা, মাথাব্যাথা, গা-ব্যথা, দুর্বলতা এগুলো সাময়িক সমস্যা, ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত কারণ হতে পারে।
৯.   গলার Endotracheal Tube  দেবার সময় অনেকক্ষেত্রে ঠোটে সামান্য আঘাত লাগে, দাঁত দুর্বল থাকলে ভেঙ্গে বা পড়ে যেতে পারে। অপারেশন শেষ হবার পর কিছু ক্ষেত্রে জ্ঞান ফিরতে দেরী হতে পারে। জ্ঞান ফেরার সময় নিঃশ্বাসজনিত সমস্যা (Laygngospasm) হতে পারে। যদিও Genral anaesthesia তে সর্বোচ্চ ঝুঁকি মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে, এখনকার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় তা প্রায় ঘটেই না।
 

লেখক : ডা. মিলন কুমার চৌধুরী, কনসালটেন্ট, নাক কান ও গলা বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ। ই-মেইল : dr.milon.ss27@gmail.com

 
 

এই রকম আরও খবর

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn