আজ- শনিবার, ৬ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২২শে রজব, ১৪৪২ হিজরি
বাংলার কথা
Header Banner

জরাজীর্ণ রেলওয়ে কোয়াটারগুলোতে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

মাসুদ রানা রাশেদ, লালমনিরহাট o

বাংলাদেশ রেওয়ের বিভাগীয় সদর দফতর লালমনিরহাটে অর্ধশতাধিক জরাজীর্ণ আবাসিক কোয়াটারগুলোতে ঝুঁকি নিয়ে চলছে বসবাস। ব্রিটিশ শাসনামলে নির্মিত এসব আবাসিক কোয়াটার দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেয়নি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। আবাসিক কোয়াটারগুলোর অবস্থা এতটাই খারাপ যেকোন মহুর্তে ধসে পড়ে জানমালের ক্ষয়ক্ষতির আশংকা করছেন এলাকাবাসী। এছাড়া বেশকটি আবাসিক কোয়াটার পরিনত হয়েছে নেশাগ্রস্থদের আড্ডাখানায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অবসরপ্রাপ্ত রেলওয়ে কর্মচারী জানান, ১৯৬৫ সালে রেলওয়েতে চাকুরি নিয়েছিলাম। তখন থেকে ওইসব কেয়াটার দেখে আসছি। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এগুলো এখনও সংস্কার না করায় বসবাসের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে লালমনিরহাট বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২৫বছর আগে রেলওয়ের পক্ষ থেকে মাইকিং করে কোয়াটারগুলো ঝুকিপূর্ণ ঘোষনা করা হয়েছিল। বেড়িয়ে যেতে বলা হয় কিন্তু বসবাসকারীরা এর পরেও বসবাস করছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে লালমনিরহাট বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে আরও জানা যায়, আবাসিক কোয়াটারগুলো সংস্কারের জন্য বরাদ্দ চেয়ে বিভিন্ন সময় আবেদন করা হলেও বরাদ্দ মেলেনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, ব্রিটিশ শাসনামলে রেলওয়ে কর্মকর্তা কর্মচারীদের আবাসন ব্যাবস্থার জন্য ৫১টি কোয়াটার নির্মাণ করা হয়েছিল। লালমনিরহাট শহরের জন্য সেই আবাসিক কোয়াটারগুলো দীর্ঘদিনেও সংস্কারের উদ্দোগ না নেয়ায় এখন জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ৫১টি কোয়াটারের মধ্যে ১৩টিতে বাস করছেন লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীর আত্মীয়-স্বজনরা। অধিকাংশ কোয়াটার বসবাসের অনুপযোগী জেনে-শুনেও ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন তারা।

তবে রেলওয়ের ওইসব কোয়াটারে বসবাসকারী অনেকে জানান, তাদের নিজস্ব জায়গা জমি নেই, নেই কোন ঠিকানা। তাই ঝুঁকি সত্বেও বসবাস করছেন।

অনুসন্ধানে দেখা যায় কোয়াটারগুলোর বিভিন্ন অংশে বড় বড় ফাটল ধরেছে। ধসে পড়েছে অবকাঠামো। বের হয়ে গেছে লোহার রড। দেয়াল, সিঁড়ি, ছাদ, সবখানেই ধসের চিহ্ন। কোন কোন ভবনের ইট খুলে যাচ্ছে। তাই জরাজীর্ণ কোয়াটারগুলো জরুরি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বাংলার কথা/ সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০

এই রকম আরও খবর

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn