চিকিৎসা, শিক্ষা, অবকাঠামো, মান উন্নয়নে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের জন্য ১২ দফা প্রস্তাব

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

চিকিৎসা শিক্ষা, অবকাঠামো, মান উন্নয়নে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের জন্য ১২ দফা প্রস্তাব।

====================================
বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এর ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড। বর্তমান হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিক্ষা এবং হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ গুলোর অবকাঠামো তথা শিক্ষার মান সহ সার্বিক বিষয় সময়ের চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তন দরকার। বর্তমানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের অধিনে ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্সের প্রায় ৬৩ টি সরকার স্বীকৃত বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে।
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিক্ষা, অবকাঠামো, শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের জন্য ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) কর্তৃক ১২ দফা প্রস্তাব :
====================================
১। নতুন কলেজ অনুমোদন না দিয়ে পুরাতন কলেজ গুলোর আধুনিক অবকাঠামো ও শিক্ষক এবং শিক্ষার মান নিশ্চিত করা দরকার। যথাযথ জায়গা বিহীন ও অবকাঠামো বিহীন এবং মানহীন কলেজ গুলো কোন ধরনের ছাড় বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ও বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কাউন্সিল (প্রস্তাবিত) হতে দেওয়া যাবেনা। ভারতেও অনেক বছর পূর্ব হতেই চিকিৎসা শিক্ষার মান ও অবকাঠামো বিষয়ে কোন প্রকার ছাড় কাউন্সিল দিচ্ছেনা। হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ গুলোতে থাকতে হবে একাধিক ডিজিটাল ক্লাশ রুম। প্রতি বিষয়ে আলাদা-আলাদা ডিপার্টমেন্ট কক্ষ। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলোর জন্য আলাদা-আলাদা স্থায়ী ব্যবহারিক কক্ষ/ল্যাব৷ আধুনিক গ্রন্থাগার ও আইসিটি কক্ষ/ভবন। এগুলো বাধ্যতামূলকভাবে বোর্ড ও কাউন্সিল নিশ্চিত করা।
পাশাপাশি অবশ্যই প্রত্যেকটি হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজে আধুনিক সুবিধা সম্বলীত সম্পূর্ণ আলাদা কলেজ হাসপাতাল ভবন করা। হাসপাতালের প্রধান হবে মেডিক্যাল অফিসার বা অধ্যক্ষ নয় সরাসরি একজন চিকিৎসককে পরিচালক পদ সৃষ্টি করে নিয়োগ করা ও হাসপাতালে জনবল এবং সুযোগসুবিধা বৃদ্ধি করা।
কেন্দ্রীয়ভাবে “সরকারি হোমিওপ্যাথিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট” স্থাপন করে পর্যায়ক্রমে সকল হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষককে ১ বছর মেয়াদি সরকারি খরচে আবাসিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। তদারকির দায়িত্ব পালন করতে হবে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ও বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কাউন্সিল (প্রস্তাবিত)।
২। স্বীকৃতপ্রাপ্ত যথাযথ অবকাঠামো বিহীন এবং মানহীন কলেজ গুলো অফিসিয়াল চিঠি দিয়ে ১/২ বছর সময় বৃদ্ধি করা। তা পালন না করলে প্রয়োজনে স্বীকৃতি বাতিল করা। যেহেতু অনেক বছর হলেও ভাল অবকাঠামো ও নিজস্ব আধুনিক একাডেমিক ভবন নির্মাণ করতে পারেনি। যে হাত দিয়ে স্বীকৃতি বোর্ড দিয়েছে এবার সে হাত দিয়ে বোর্ড প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন। তদারকির দায়িত্ব পালন করতে হবে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ও বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কাউন্সিল (প্রস্তাবিত)।
৩। কলেজ গুলোর বেতনভুক্ত শিক্ষকদের নিয়মিত নিজ নিজ কলেজে উপস্থিতি নিশ্চিত করুন ও প্রয়োজনে স্থানীয়ভাবে আবাসন ব্যবস্থা করা। কঠোর তদারকির দায়িত্ব পালন করতে হবে বোর্ড, কাউন্সিল, প্রয়োজনে জেলা প্রশাসন।
৪। সময়ের চাহিদায় শুধুমাত্র দিবা বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি করা। নতুন শিক্ষার্থী সরাসরি অনলাইনে ভর্তি করা, ভর্তির বিষয়ে বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আসন সংখ্যা, শিক্ষার্থী ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা। প্রয়োজনে আবাসিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। কঠোর তদারকির দায়িত্ব পালন করতে হবে বোর্ড, কাউন্সিল, প্রয়োজনে জেলা প্রশাসন।
৫। বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বরের পরিবর্তে প্রত্যেকের আলাদা-আলাদা আইডি নম্বর ও ডাটাবেজ সিস্টেম চালু করে যাবতীয় তথ্য ডিজিটালভাবে বোর্ডে সংরক্ষণ করা। নিয়মিত শিক্ষার্থী ক্লাশে উপস্থিত না হলে ফরম ফিলাপ ও পরীক্ষা দেবার অনুমতি বোর্ড হতে দেওয়া যাবেনা। কঠোর তদারকির দায়িত্ব পালন করতে হবে বোর্ড ও কাউন্সিল।
৬। ডিএইচএমএস কোর্সের জন্য দেশের বিশিষ্টজনদের নিয়ে কমিটি করে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী কোর্সের আধুনিক কারিকুলাম প্রণয়ন করা। সে ভিত্তিতে বোর্ড হতে বা বোর্ড খোলা টেন্ডারের মাধ্যমে কোর্সের সকল বিষয়ের মানসম্মত পাঠ্য বই প্রকাশিত করা। ভর্তি আসন অনুপাতে কোর্সের বর্ষ অনুযায়ী সে পাঠ্য পুস্তক প্রদানে সে বর্ষের শিক্ষার্থীদের নিকট ফিস নির্ধারিত করে বাধ্যতামূলকভাবে বোর্ড ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রহণ করে বোর্ডের প্রকাশনা বিভাগ হতে আসন অনুপাতে মানসম্মত টেক্সবুক সেট শিক্ষার্থীদেরকে কলেজের মাধ্যমে প্রদান করা। শুধুমাত্র কোর্সের  জন্য বোর্ডের টেক্সবুক হতে কলেজে পাঠদানের ব্যবস্থা করা। কোন শিক্ষার্থী সহায়ক গ্রন্থ একাধিক বই বাহির হতে ক্রয় করতে পারে। কোর্সের প্রতি বর্ষের মানসম্মত বোর্ডের টেক্সবুক সেট বোর্ড বাধ্যতামূলকভাবে শিক্ষার্থীকে প্রদান করা ও কলেজে সেটা হতে নিয়মিত পাঠদানের ব্যবস্থা করা। কঠোর তদারকির দায়িত্ব পালন করতে হবে বোর্ড ও কাউন্সিল।
৭। বর্তমান ডিজিটাল যুগ ও এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষার মান ও পরীক্ষা পদ্ধতি পর্যবেক্ষণে সরকার স্বীকৃত সকল হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ গুলোতে বোর্ডের কোর্সের সকল পরীক্ষায় এখন হতে সংবাদকর্মী ও মিডিয়া এবং সরকারি মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনের ব্যক্তিগণ সরাসরি পরীক্ষা কেন্দ্রে যথাযথ পরিচয়পত্রসহ যে কোন সময় পরিদর্শনে যাবে বা যেতে পারে। তাদেরকে যথাযথভাবে প্রটোকল ও পর্যবেক্ষণের সার্বিক সহযোগীতা করা। কলেজকে কোন ফোন করে যাবেনা। চা-নাস্তা খেতেও যাবেনা। কোন শিক্ষার্থী অসুদপায় অবলম্বন করলে ৩০ মিনিট বা ১ ঘন্টা খাতা কক্ষের শিক্ষকের নিকট জমা রাখার ব্যবস্থা করা বা পরীক্ষার শেষ সময় পর্যন্ত খাতা একেবারে শিক্ষক জমা রাখা। অসুদপায় অবলম্বন করে লিখলে সে উত্তর গুলো অবশ্যই সে শিক্ষার্থীর সামনে কলম দিয়ে খাতায় সে লেখা গুলো শিক্ষক কেঁটে দিয়ে খাতায় সে সে পাতায় কক্ষের সেই শিক্ষক নাম পদবি তারিখ সহ স্বাক্ষর করবে। কোন শিক্ষক পরীক্ষা কক্ষে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন না করলে বেতন ভাতা ১ বছরের জন্য বন্ধ করা। প্রয়োজনে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব সে অধ্যক্ষের নিকট হতে ২৪ ঘন্টার মধ্যে পরিবর্তন করে কলেজের অন্য কোন শিক্ষককে বা জেলা প্রশাসনের ব্যক্তিকে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব প্রদান করা। প্রয়োজনে অনিয়মকারী কলেজের স্বীকৃতি স্থগিত করা। কঠোর তদারকির দায়িত্ব পালন করতে হবে বোর্ড, কাউন্সিল, প্রয়োজনে জেলা প্রশাসন।
৮। ডিএইচএমএস কোর্সের হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ যে হিসাবে বৃদ্ধি পেয়েছে সে হিসাবে ডিএইচএমএসদের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। অনুপাত ভারসাম্যহীন। ডিএইচএমএস পাসকৃতদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে হোমিওপ্যাথি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করা। দ্রুত কারিকুলাম প্রণয়ন করে হোমিওপ্যাথিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে বা দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করে বাংলাদেশের প্রতি বিভাগীয় শহরে ১/২টি করে ডিএইচএমএস কোর্সের ভাল অবকাঠামো হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজে ব্যাচেলর ডিগ্রি কোর্স চালু করা। অন্যান্য দেশের মত ডিপ্লোমাদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণে বয়সের বাঁধা বাংলাদেশেও দূর করা। কারণ ডিএইচএমএস’দের উচ্চশিক্ষা গ্রহণ তাদের দাবি নয় অধিকার।
৯। গবেষণা চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য নিয়মিত কার্যক্রম। কাগজ কলমে নয় দ্রুত জায়গা নির্বাচন ও অবকাঠামো নির্মাণ করে জাতীয়ভাবে কেন্দ্রীয় হোমিওপ্যাথি রিসার্চ ইন্সটিটিউট স্থাপন ও কার্যকর করা। পাশাপাশি সরকারিভাবে ও বেসরকারিভাবে হোমিওপ্যাথি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে সেখানেও হোমিওপ্যাথি গবেষণার ব্যবস্থা করা। গবেষণা প্রতিবেদন মেডিক্যাল জার্নালে নিয়মিত প্রকাশিত করা। সরকারিভাবে শুধু বিএইচএমএস নয়, ডিএইচএমএসদেরও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালে চাকুরির ব্যবস্থা করা।
১০। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এর সঙ্গে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড নিবিরভাবে যোগাযোগ করে ডিএইচএমএস চিকিৎসা শিক্ষার মেডিক্যাল কলেজ গুলোর মান উন্নয়ন ও স্বীকৃতি এবং নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা এককভাবে বোর্ডের নিকট না রেখে যৌথভাবে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ও বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কাউন্সিল (প্রস্তাবিত) এর নিকট রাখা। এখনও আইন সংসদে পাস হয়নি।  দেশের হোমিওপ্যাথরা ক্ষমতাহীন বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কাউন্সিল (প্রস্তাবিত) চায় না। যৌথভাবে ক্ষমতাবান হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কাউন্সিল ও হোমিওপ্যাথি বোর্ড চায়। যৌথভাবে বসে সকল ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে ও কার্যকর করতে পারে সে ব্যবস্থা করা। যৌথভাবে নিয়ন্ত্রণে আলোচনা, জবাবদিহিতা, গ্রহণযোগ্যতা, কার্যকর পদক্ষেপ নিতে যৌথ কর্তৃপক্ষের সুবিধা হয়।
১১। সরকার বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড পরিচালনা কমিটি গঠনে সব সময় দেশের উচ্চশিক্ষিত বিশিষ্টজন প্রবীন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথ ও এলোপ্যাথ উচ্চডিগ্রিধারী যারা পরবর্তীতে হোমিওপ্যাথকে ভালবেসে ডিএইচএমএস করে শুধুমাত্র হোমিওপ্যাথ পেশা গ্রহণ করেছে এবং উচ্চশিক্ষিত সহ ডিএইচএমএস হোমিওপ্যাথি মেধাবী চিকিৎসক/ডিএইচএমএস করে বিএইচএমএস করে এমফিল বা পি-এইচডি করেছে/সাধারণ শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত হয়ে ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) পাস করে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পেশার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অবসরপ্রাপ্ত সরকারি উচ্চপদস্থ সচিব বা অতিরিক্ত সচিব বা উপ সচিব প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে কমিটি করা। রাজনীতি ও দলাদলি এবং কাদা ছোড়াছুড়ি মনে করে অনেকে কোন পদে আসতে চায় না। বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আসার সে ভাল পরিবেশ সরকার ও সরকারি কর্তৃপক্ষকে তৈরি করা। যারা নিতে নয় ও হোমিওপ্যাথির জন্য কিছু করতে চায় এবং বর্তমান-ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য হোমিওপ্যাথিতে কিছু ভাল কিছু দিতে চায়। সেটা বোর্ড ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে।
১২। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর আওতাভুক্ত ও ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর ১১, ১২ ও ১৩ বিধি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রতিপালনের মাধ্যমে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারি সহ সকলের বিদ্যমান নিজ ও পরিবারের সকল সদস্যদের সম্পদ বিবরণী দাখিল করা। তা ১ হতে ৫ বছর পরপর সরকারি নিদিষ্ট ছক ফরমের মাধ্যমে তথ্য ছক পূরণ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণনালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের মাধ্যমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে জমা প্রদান করা।
পরিশেষ :
======
ন্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধিনে ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড প্রতিষ্ঠা হয়েছে। ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দ হতে বাংলাদেশের ডিএইচএমএস পাসকৃতরা দেখে আসছে এককভাবে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড কিভাবে ও কতদূর করতে পেরেছে কলেজ গুলোর স্বীকৃতি, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, শিক্ষার মান, কলেজের অবকাঠামো, শিক্ষকদের মান, পাঠদান ব্যবস্থা, পরীক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষার কারিকুলাম, কোর্সের মান উন্নয়ন, কোর্সের সমমান, ডিএইচএমএস পাসকৃতদের উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা তা কতদূর এগিয়েছে?
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড যৌথভাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কীত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে প্রয়োজনে যথাযথভাবে প্রস্তাবিত আইনে সংশোধন ও সংযোজন এবং প্রস্তাবিত আইনটি দেশের সকল ডিএইচএমএস কৃতদের নিকট গ্রহণযোগ্য করে দ্রুত সংসদ হতে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন ২০২১ (প্রস্তাবিত) পাস ও কার্যকর করা। সে মোতাবেক দ্রুত বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করা।
বর্তমান প্রস্তাবিত আইনে ডিএইচএমএস কোর্সের হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ গুলোর এককভাবে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা বোর্ড নিজেদের নিকট রেখেছে। পাশাপাশি আইনে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করে শুধুমাত্র ডিএইচএমএস পাস ও বিএইচএমএস পাসকৃতদের চিকিৎসক পেশার চিকিৎসক রেজিস্ট্রেশন সনদপত্র প্রদান-নবায়ন এবং মাঠ পর্যায়ে সেসব চিকিৎসকদের নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কাউন্সিলের নিকট রেখেছে। যা কাম্য নয়।
পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত সহ অন্যান্য দেশে হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাাল কাউন্সিল দেশ গুলোতে আছে সে দেশ গুলোতে হোমিওপ্যাথিক মেডক্যাল কাউন্সিল শুধু চিকিৎসক রেজিস্ট্রেশন সনদপত্র প্রদান করেনা। সে দেশ গুলোর হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কাউন্সিল গুলো হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিক্ষার মান উন্নয়ন তথা কারিকুলাম প্রণয়ন ও স্বীকৃতি এবং নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা রয়েছে। পাশাপাশি সে দেশ গুলোর বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর হোমিওপ্যাথি কোর্সের কারিকুলাম, শিক্ষার মান উন্নয়নে কাউন্সিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশে কেন নয়?
সার্বিকভাবে এগিয়ে যাক হোমিওপ্যাথি।
(মতামত)
=====================================
লেখক পরিচিতি :
ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু)।
ডিএইচএমএস (রাজশাহী হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ)
গভ. রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথ
এমএসএস (এশিয়ান ইউনিভার্সিটি)
ডাক্তার চেম্বার ও বাসভবন :
ডা. আব্দুস সালাম হোমিওপ্যাথি হেলথ কেয়ার,
(প্রতিষ্ঠা : ২০০২ খ্রিস্টাব্দ)
“ডাক্তার বাড়ী”, জগন্নাথ পাড়া, শেরপুর, বগুড়া-৫৮৪০, বাংলাদেশ।
সভাপতি/প্রধান সমন্বয়ক,
বাংলাদেশ ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) চিকিৎসক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী অধিকার পরিষদ। কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ।
(চিকিৎসক, শিক্ষক, কেন্দ্রীয় হোমিওপ্যাথি নেতা, কেন্দ্রীয় শিক্ষক নেতা, কলামিস্ট ও প্রাক্তন সাংবাদিক)

এই রকম আরও খবর

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn