চামড়া কেনা নিয়ে সংশয়ে ব্যবসায়ীরা

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

নিউজ ডেস্ক :
বকেয়া পাওনা টাকা এখনো না পাওয়ায় এবারে দিনাজপুরের হিলিতে চামড়া কেনা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়া ভারতে দাম ও চাহিদা থাকায় সীমান্ত দিয়ে চামড়া পাচারের আশঙ্কাও করছেন তারা। তবে চামড়া পাচার রোধে সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

 

দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলির মুন্সিপাড়ার চামড়াপট্টিতে রয়েছেন আটজন চামড়া ব্যবসায়ী। যারা সারা বছর গরু, ছাগল ও ভেড়াসহ বিভিন্ন চামড়া ক্রয়-বিক্রয় করেন। এছাড়াও মৌসুমি কিছু চামড়া ব্যবসায়ী রয়েছেন, যারা ঈদে চামড়া কেনাবেচা করে থাকেন।

চামড়া ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, গত বছর চামড়ার দাম না থাকায় বিক্রি করতে না পেরে অনেক চামড়া ফেলে দিতে হয়েছিল। অনেক জায়গায় চামড়া পানিতে ফেলেছে, আবার কেউবা মাটিতে পুঁতেছিল। এরপরও আমরা ধারদেনা করে চামড়া কিনে মোকামে পাঠিয়েছিলাম। হাকিমপুরের ব্যবসায়ীদের গত বছরের ২০/২৫ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে ঢাকা, নাটোর ও সৈয়দপুরের বিভিন্ন মহাজনের কাছে। এসব ট্যানারি মালিকরা যদি চারভাগের একভাগ পেমেন্ট দেয়, তাহলে কীভাবে টাকা দেব?
তিনি আরও বলেন, আগের বকেয়া টাকা এখন পর্যন্ত পরিশোধ হয়নি। যার কারণে এবারের ঈদে কী করে চামড়া কিনবো, সেটি নিয়ে সংশয়ে রয়েছি। টাকা না দিতে পারলে মানুষ কি বাকিতে কোরবানির পশুর চামড়া দেবে? আবার ঈদের পর যে ১৪ দিনের লকডাউন শুরু হবে তাতে যদি চামড়া প্রস্তুত করে বিক্রি করতে না পারি, তাহলে কী করে চামড়া কিনবো সে নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

 

 

অপর চামড়া ব্যবসায়ী রিপন মুন্সি বলেন, সরকার যে এবার চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে, তাতে করে এই দামে চামড়া কিনে কোনো লাভ থাকবে না। শ্রমিক ও লবণের দাম বেশি।

বাংলার কথা/২০জুলাই/২০২১

এই রকম আরও খবর

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn