রবিবার , ২০ নভেম্বর ২০২২ | ২২শে মাঘ, ১৪২৯
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খুলনা বিভাগ
  4. খেলাধুলা
  5. চট্টগ্রাম বিভাগ
  6. জাতীয়
  7. ঢাকা বিভাগ
  8. প্রচ্ছদ
  9. ফিচার
  10. বরিশাল বিভাগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. ময়মনসিংহ বিভাগ
  14. রংপুর বিভাগ
  15. রাজনীতি

গলাচিপায় শীতের আগমনে খেজুর গাছ কাটায় ব্যস্তগাছী

প্রতিবেদক
BanglarKotha-বাংলারকথা
নভেম্বর ২০, ২০২২ ৩:০১ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক :
পটুয়াখালীর গলাচিপায় শীতের আগমনে খেজুরের রস সংগ্রহ করার জন্য খেজুর গাছ কাটার ধুম পড়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় একই চিত্র লক্ষ করা গেছে। রবিবার (২০ নভেম্বর) চাষীদের খেজুর গাছ কাটতে দেখা গেছে। তবে আগের তুলনায় বর্তমানে খেজুর গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় এই ঐতিহ্য দিন দিন হারিয়ে যেতে বসেছে।

তারপরও গাছিরা এই সময়টার জন্য অপেক্ষা করেন। শীত আসলেই খেজুর গাছ খুঁজে বেড়ান। তারপর গাছ কেটে পুরো মৌসুমে খেজুরের রস সংগ্রহ করেন। এক সময় গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে, রাস্তার পাশে তাল ও খেজুরের গাছ ছিলো। বর্তমানে খেজুর গাছের সংখ্যা অনেকটাই কমে গেছে। তাই আগের মত তেমন রস সংগ্রহ করতে পারেন না গাছিরা। গোলখালী ইউনিয়নের কিসমত হরিদেবপুর গ্রামের গাছি সোহেল মিয়া বলেন, ‘ খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করতে হলে প্রথমে খেজুর গাছের মাথার অংশকে ভালো করে পরিষ্কার করতে হয়।

এরপর পরিষ্কার সাদা অংশ কেটে বিশেষ কায়দায় ছোট-বড় কলসিতে (মাটির পাত্র) রস সংগ্রহ করা হয়। ছোট বড় বিভিন্ন রকমের খেজুর গাছে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়েই আমরা কোমরে রশি (দড়ি) বেঁধে গাছে ঝুলে রস সংগ্রহের কাজ করি। প্রতিদিন বিকালে ছোট-বড় কলসি (মাটির পাত্র) গাছে বাঁধি, সকালে রস সংগ্রহ করি। কেউ কেউ কাঁচা রস এলাকার বিভিন্ন স্থানে ও হাটে-বাজারে খাওয়ার জন্য বিক্রি করেন। আবার কেউ কেউ সকালেই এই রস জ্বালিয়ে গুড় তৈরি করেন।’ পানপট্টি ইউনিয়নের গাছি মোকলেছ হাওলাদার বলেন, ‘বর্তমানে যে হারে খেজুর গাছ হারিয়ে যেতে বসেছে, তাতে এক সময় হয়তো আমাদের এলাকায় খেজুর গাছ থাকবে না।

বাড়তি জনসংখ্যার কারণে মানুষ এখন গাছ কেটে বসত বাড়ি তৈরি করছে। আমখোলা ইউনিয়নের গাছি বাবুল সরদার বলেন, খেজুরের রস দিয়ে নানান রকম পিঠা তৈরি করা হয়। খেজুর গাছ ৫-৬ বছরের হলেই গাছ থেকে রস সংগ্রহ শুরু করা যায়। কার্তিক মাস থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত রস আহরণ করা হয়। তবে যত শীত বেশি পড়ে তত রস বেশি হয়। গলাচিপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজু আক্তার বলেন, আগে পতিত জমি ছিলো। সেখানে অবহেলা অযতেœ খেজুর গাছ জন্মাত। গ্রামীণ রাস্তার পাশেও সারিবদ্ধভাবে খেজুরগাছ দেখা যেত। সেসব গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতো। ওই খেজুর গাছ থেকে বাংলার নবান্ন উৎসবের জন্য গাছিরা খেজুর রস আহরণ করতো। মানুষের মধ্যে অসচেতনতার কারণে মানুষ গাছ কাটলেও গাছ আর লাগায় না। অন্তত পরিবেশের ভারাসাম্য রক্ষায় প্রতিটি সড়কের পাশে ও খালি জায়গায় খেজুরগাছ লাগানো উচিত।

সর্বশেষ - প্রচ্ছদ

আপনার জন্য নির্বাচিত

মেট্রোরেল উদ্বোধন উপলক্ষে আসছে ৫০ টাকার স্মারক নোট

জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন এপ্রিলে

বিএনপির সমাবেশ নিয়ে পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা শঙ্কিত: তথ্যমন্ত্রী

ফরিদপুরে প্রাইভেট হাসপাতালে সরকারি ওষুধ, লাখ টাকা অর্খদণ্ড

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গবেষণাকে গুরুত্ব দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লায় জামায়াতের গণমিছিল থেকে আটক ১২

রামেক ক্যাম্পাসে নিজ শরীরে আগুন দিয়ে যুবকের আত্মহত্যার চেষ্টা

আইডিইবির নির্বাচনে হামিদ-শামসুর প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়

আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে বাংলাদেশে আসবে আর্জেন্টাইন সাংবাদিক

২৪ ডিসেম্বর থেকেই সরকার পতনের আন্দোলন শুরু: দুলু