মঙ্গলবার , ১৮ অক্টোবর ২০২২ | ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খুলনা বিভাগ
  4. খেলাধুলা
  5. চট্টগ্রাম বিভাগ
  6. জাতীয়
  7. ঢাকা বিভাগ
  8. প্রচ্ছদ
  9. ফিচার
  10. বরিশাল বিভাগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. ময়মনসিংহ বিভাগ
  14. রংপুর বিভাগ
  15. রাজনীতি

গরিবদের জন্য ছিল শিশু রাসেলের অপার ভালবাসা : ড. শিরীন শারমিন

প্রতিবেদক
BanglarKotha-বাংলারকথা
অক্টোবর ১৮, ২০২২ ৩:২২ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক :
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, শিশু রাসেল খুবই চঞ্চল ছিল। পড়ালেখা, সাইকেল চালানো, খেলাধুলা নিয়ে সে মেতে থাকতো। সে ছিল সকলের চোখের মণি। শেখ রাসেল ছিল বন্ধুবৎসল, গরিবদের জন্য ছিল তার অপার ভালবাসা। আজ শিশু রাসেলের জন্মদিনে শপথ হোক কোন শিশু যেন নির্যাতন, সন্ত্রাস ও নৃশংসতার শিকার না হয়। সুষ্ঠু, নিরাপদ পরিবেশে যেন তারা বেড়ে উঠতে পারে সে উদ্দেশ্যে সকলকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মঙ্গলবার সংসদ ভবনের এলডি হলে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উদ্যোগে ‘শেখ রাসেল দিবস ২০২২’ উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, শিশু মেলা ও সান্ধ্যকালীন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ আহবান জানান স্পিকার। পরে বিজয়ী শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, শিশুরা দেশ ও জাতির সম্পদ। শিশুদের ভালবাসতে হবে। তাদের কথা ধৈর্য সহকারে শুনতে হবে। তাদের কথা বলার সুযোগ দিতে হবে। বাংলাদেশের প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রয়োজনের প্রতি দৃষ্টি দিতে হবে। শ্রমে নিয়োজিত, দারিদ্র্য জর্জরিত শিশুদের কল্যাণে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে হবে।
এ সময় স্পিকার আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে শিশুদের কল্যাণে শিশু আইন করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় শিশুনীতি, শিশুশ্রম নিরসন নীতিসহ বহু কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেন। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে অধিবেশন দেখার জন্য শিশু গ্যালারি রয়েছে।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কনিষ্ঠ পুত্র, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আদরের ছোট ভাই শিশু শেখ রাসেলকে মাত্র ১০ বছর বয়সে ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট ঘাতকের নির্মম বুলেটে হত্যা করা হয়। মায়ের কাছে নিয়ে যাবো বলে সেদিন শিশু রাসেলকে হত্যা করা হয়। আজ শিশু রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন। সে বেঁচে থাকলে আজ নিজেকে দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতো। নবপ্রজন্মের শিশুদের মাঝে শেখ রাসেলের আদর্শ ছড়িয়ে দিতে হবে। এক্ষেত্রে, অভিভাবক ও শিক্ষকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংসদ সচিবালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেপুটি স্পীকার মো. শামসুল হক টুকু ও চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে হুইপ আতিউর রহমান আতিক, হুইপ ইকবালুর রহিম, সংসদীয় কমিটির সভাপতিদের মধ্যে শাহজাহান খান, মো. শহীদুজ্জামান সরকার, এ বি এম তাজুল ইসলাম, রওশন আরা মান্নান, সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, ফখরুল ইমাম, আরমা দত্ত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ - প্রচ্ছদ