আজ- বৃহস্পতিবার, ৪ঠা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০শে রজব, ১৪৪২ হিজরি
বাংলার কথা
Header Banner

কল্পনা চাওলার নামাঙ্কিত মহাকাশযান পাড়ি দেবে ২৯ তারিখ

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp


বাংলার কথা ডেস্ক ০
প্রয়াত ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন মহাকাশচারী কল্পনা চাওলার সম্মানে একটি মহাকাশযানের নাম রাখা হল। মহাকাশ এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা নরথর্প গ্রুম্মান নামে ওই মার্কিন ঠিকাদারি কোম্পানি মূলত নাসার আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন বা আইএসএস সহ বিভিন্ন মহাকাশযানে রসদ সরবরাহের কাজ করে। তাদেরই নতুন এনজি–১৪ সিগনাস মহাকাশযান, যেটা আইএসএস–এ রসদ সরবরাহ করবে, তার নামকরণ করেছে প্রয়াত মহাকাশচারীর নামে, ‘‌এসএস কল্পনা চাওলা।’‌
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিবৃতিতে একথা জানিয়ে নরথর্প গ্রুম্মান বলেছে, ‘‌আজ আমরা কল্পনা চাওলাকে সম্মান জানালাম, তিনি নাসার ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রথম মহিলা মহাকাশচারী হিসেবে। মানুষের মহাকাশযাত্রায় তার অবদান গভীর ছাপ রেখে গিয়েছে।’ আগামী ২৯ তারিখ ভার্জিনিয়ায় নাসার ওয়ালপ দ্বীপ মিড–আটলান্টিক রিজিওনাল স্পেসপোর্ট থেকে আইএসএস–এর উদ্দেশ্যে পাড়ি দেবে এসএস কল্পনা চাওলা। আইএসএস–এ পাঠানোর জন্য এসএস কল্পনা চাওলায় রসদ ভরা হবে উড়ানের ২৪ ঘণ্টা আগে। প্রায় ৩৬২৯ কেজি রসদ নিয়ে যাবে মহাকাশযানটি। রসদ সরবরাহ করে ফের পৃথিবী ফিরে প্রশান্ত মহাসাগরে বিলীন হয়ে যাবে এসএস কল্পনা চাওলা।
আদতে পাঞ্জাবের কারনালের বাসিন্দা,প্রয়াত মহাকাশচারী কল্পনা চাওলা ছোট থেকেই মহাকাশ নিয়ে উৎসাহিত ছিল। ১৯৮২–এ পাঞ্জাব ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে এরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পাস করার পর এবিষয়ে উচ্চশিক্ষার্থে তিনি আমেরিকা পাড়ি দিয়ে টেক্সাস–আরলিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ১৯৮৪–এ স্নাতকোত্তর পাস করেন। তারপর ১৯৮৮ সালে কলাম্বিয়ার বোল্ডার শহরে এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে ডক্টরেট করার পর ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যামিস রিসার্চ সেন্টারে যোগ দেন। এই রিসার্চ সেন্টারটি নাসার হয়ে কাজ করত এবং তখন থেকেই নাসার সঙ্গে তার যোগাযোগ। মাঝে কিছু বছর অন্যত্র কাজ সেরে ১৯৯৪–এর ডিসেম্বরে নাসায় ফিরে আসেন মহাকাশচারী প্রার্থী হিসেবে। ১৯৯৭–এর ১৯ নভেম্বর থেকে পাঁচ ডিসেম্বর নাসার কলাম্বিয়া মহাকাশযান এসটিএস–৮৭–এ চড়ে প্রথমবার মহাকাশযাত্রা করেন কল্পনা। তারপর ২০০৩ সালের ১৬ জানুয়ারি এসটিএস–১০৭–এ ফের আরও ছয়জন মহাকাশচারীর সঙ্গে মহাকাশে যাত্রা করেন।
১৬ দিনের গবেষণায় প্রায় ৮০টি পরীক্ষানিরীক্ষার পর পৃথিবীতে ফেরার সময় পয়লা ফেব্রুয়ারি টেক্সাসের উপর পৃথিবীর আবহাওয়া মন্ডলের সঙ্গে সংঘর্ষে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় এসটিএস–১০৭। বাকি ছয়জন সহকর্মীর সঙ্গে মহাকাশেই চিরতরে বিলীন হয়ে যান মহাকাশপ্রেমী কল্পনা চাওলা।
সূত্র:আজকাল।
বাংলার কথা/ সেপ্টেম্বর ১১, ২০২০

এই রকম আরও খবর

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn